এসআইআর কি ইতিহাস হতে চলেছে?
সোমনাথ গুহ
এসআইআর নিয়ে 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'এর তদন্তমূলক প্রতিবেদন দেশ জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ ভয়াবহ, অভুতপূর্ব, আপামর মানুষকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। দুজন নির্বাচন কমিশনার (সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশি) নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ নোট ও চিঠিতে যা লিখেছেন (তদন্তমূলক সাংবাদিকতার দৌলতে এখন জনপরিসরে) তা থেকে বোঝা গেছে, শুধুমাত্র ভোট চুরি হয়নি, মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সক্রিয় সহায়তায় বিজেপি পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাটাকেই অপহরণ করে নিয়েছে।
উক্ত সংবাদপত্রে গুরুত্বপূর্ণ যে গরমিলগুলি তুলে ধরা হয়েছে:
প্রথমত, নতুন নাম যুক্ত করা ও বাদ দেওয়ার ব্যাপারে দুই কমিশনারকে জ্ঞানেশ কুমার অন্ধকারে রেখেছেন।
দ্বিতীয়ত, ওই দুই কমিশনার নতুন ভোটারদের বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপকে নোট দিয়ে অবৈধ ও অননুমোদিত বলে অভিহিত করেছেন।
তৃতীয়ত, দুই কমিশনার রাজ্যের পরিবর্তে দিল্লিতে ভোটারের ডেটাবেস (ইসিআইনেট) কেন্দ্রীয়করণের বিরোধিতা করেছেন। এর বিরুদ্ধে তাঁরা এমনকি ক্যাবিনেট সচিবের কাছে অভিযোগ পর্যন্ত করেছেন।
চতূর্থত, এটা নির্বাচন কমিশনের ভিতরে নজিরবিহীন ভাঙনকে চিহ্নিত করছে। অতীতেও কমিশনারদের মধ্যে মতবিরোধ হয়েছে যা আদালত অবধি গড়িয়েছে, কিন্তু এত মতভিন্নতা আগে দেখা যায়নি, যেখানে ১০ মাসে উক্ত দুই কমিশনার ১৪ বার নানা বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন, এমনকি এক দিনে চারবার মতপার্থক্যও ঘটেছে।
এর থেকে আমরা পাঁচটা মূল সিদ্ধান্তে আসতে পারি যা বিভিন্ন রাজ্যে ভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করেছে এবং ১৩ কোটি মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। ওই দুই কমিশনার বারবার বলেছেন যে কমিশন বেআইনি কাজ করছে। প্রথমত, একটি কেন্দ্রে নির্বাচনী তালিকা প্রস্তুত ও সংশোধন করার মূল দায়িত্ব হচ্ছে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার-এর (ইআরও), যিনি সমস্ত তথ্য ইআরওনেট-এ আপলোড করেন। আইনত তিনিই হচ্ছেন ‘স্ট্যাচুটরি অথরিটি’। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে তা ডিইও (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট), জেলার নির্বাচনের আধিকারিকের কাছে যাবে, সেখানেও ফয়সালা না হলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে যাবে। কিন্তু দেখা গেছে, তালিকা প্রস্তুত করার প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি দিল্লিতে কমিশনের আইটি ডিভিশন তাদের সফটওয়্যারের মাধ্যমে (ইসিআইনেট) পুরো কুক্ষিগত করে নিয়েছে। ইআরও-রা ইসিআইনেটে ঢুকতেই পারেননি, সেটা পুরো দিল্লি নিয়ন্ত্রণ করেছে। কার নাম ঢুকবে, কার নাম বাদ যাবে তা দিল্লি থেকে ঠিক হচ্ছিল। এই ক্ষেত্রে গোয়ার ঘটনার উল্লেখ করা যেতে পারে, যেখানে আধিকারিকরা দেখেন ৯৭ জনের নাম ভুলবশত তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেছে। তাঁরা নিজেরা বারবার নেটে ঢুকে সংশোধন করার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হওয়ার কারণে নামগুলো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দিল্লিতে বারবার আবেদন করেন, কিন্তু তা সত্ত্বেও নতুন ভোটার তালিকা এই নামগুলি ছাড়াই প্রকাশিত হয়ে যায়। ইসিআইনেট অ্যাক্সেস না করতে পারার জন্য পশ্চিমবাংলার কয়েকজন ইআরও বারবার অভিযোগও করেছেন।
দ্বিতীয় বিতর্ক ফর্ম ৬ নিয়ে, নতুন ভোটার হতে চাইলে যে ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হয়। এখানে একটি শর্ত যোগ করা হয়-- জিজ্ঞাসা করা হয় নিজের বা মা-বাবা'র নাম পূর্ববর্তী তালিকায় উল্লিখিত ছিল কিনা। এই শর্তটি গত বছরের জুলাই মাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উভয় কমিশনার এর বিরোধিতা করেন, কারণ, নির্বাচন কমিশনের ফর্ম ৬ পাল্টানোর কোনও এক্তিয়ার নির্বাচন কমিশনারদের নেই। এটা সম্পুর্ণ বেআইনি, ফর্ম ৬ পরিবর্তন করার ক্ষমতা একমাত্র সংসদের রয়েছে।
তৃতীয় প্রশ্ন মূলত বাংলা সংক্রান্ত। প্রথম দফায় এখানে ৫৮ লাখ মানুষের নাম বাদ যায়। এতে বিজেপি নির্বাচনে বিজয় সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়ার কারণে কমিশন ‘লজিকাল ডিস্ক্রেপেন্সি’ অর্থাৎ যুক্তিগত অসঙ্গতি নামে এক অক্সিমরন উদ্ভাবন করে যার ফলে প্রথমে প্রায় দেড় কোটি লোকের নাম বাদ চলে যায়, যা পুনরায় সংশোধন করে দাঁড়ায় ৬০ লাখ। রাজ্য সরকার আদালতে যায়, আদালত বিচারব্যবস্থার অধীন কিছু আধিকারিককে এই তালিকা ঝাড়পোছ করার দায়িত্ব দেয়। ৬০ লাখের মধ্যে ৩৩ লাখ তালিকাভুক্ত হয়, বাকি ২৭ লাখকে ট্রাইবুন্যালে আপিল করতে বলা হয়। এবার মজাটা হচ্ছে, যে ৩৩ লাখের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ইলেকশন কমিশন নিজে তার থেকে ১৬ লাখ বাদ দেওয়ার আবেদন করে। দেখা যায়, এঁদের অধিকাংশই মুসলিম। উক্ত দুই কমিশনার নোটে আপত্তি জানিয়েছিলেন, কমিশন তো ১৬ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়ার জন্য কোনও আবেদন করেনি! তাহলে এটা কে করেছে? আরও আশ্চর্য হচ্ছে, এই ঘটনা সম্পর্কে বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিজেই অবহিত নন।
চতুর্থত, নির্বাচন প্রক্রিয়া যাঁরা পরিচালনা করেন তাঁদের স্তর-বিন্যাস কতকটা এইরকম-- সবার ওপরে তিন কমিশনার, তাঁদের নিচে ডেপুটি কমিশনার এবং তারপরে ডিজি (আইটি)। ডিজি দিল্লিতে বসে ইসিআইনেট পুরো নিয়ন্ত্রণ করেন এবং রাজ্যের তালিকায় নিজের মতো করে নাম যোগ ও বাদ দেন। সান্ধু এবং জোশি এই বেআইনি ব্যবস্থার পরিবর্তন দাবি করেন, তাঁরা ডিজি-কে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আবেদন করেন। এই মর্মে দুজন ডেপুটি কমিশনার ক্যাবিনেট সেক্রেটারির দ্বারস্থ হন। কিন্তু ফল হয় উল্টো। ডিজি (আইটি)-কে সমস্ত নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয় এবং দুই ডেপুটি কমিশনারকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়।
পঞ্চমত, তিন কমিশনারের মধ্যে কদাচিৎ একসাথে মিটিং হত, হলেও তার কোনও অ্যাজেন্ডা বা কোনও মিনিটসও থাকত না।
নির্বাচনী কমিশনারদের মধ্যে এই তীব্র মতভেদ ও মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের একতরফা সিদ্ধান্ত ও অবৈধ কার্যকলাপের খবরগুলি নির্বাচনী কমিশনের অন্দর থেকে নথি সহ উদ্ধার করে ফাঁস করেছেন 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস' পত্রিকার সাংবাদিক ঋতিকা চোপড়া। আজকের সময়ে দাঁঁড়িয়ে এই সাহসী প্রতিবেদনের জন্য তিনি সাংবাদিকতার জগতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
এ ক্ষেত্রে ২০২০ সালে তৎকালীন অন্যতম নির্বাচনী কমিশনার অশোক লাভাসার পদত্যাগ স্মরণ করা যেতে পারে। ২০১৯'এর লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন তিনি মোদী ও অমিত শাহের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করার জন্য ভিন্ন মত নথিভুক্ত করেছিলেন। অভিযোগ, এরপরে ইডি ও সিবিআই চাপ সৃষ্টি করায় তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ইতিমধ্যেই শোনা যাচ্ছে যে সান্ধু ও জোশি’র ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যাতে তাঁরা প্রেস কনফারেন্স করে 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'এর প্রতিবেদনের বিরোধিতা করেন। আপাতত কমিশন পত্রিকার প্রতিবেদন পুরোপুরি অস্বীকার করেনি। তাদের এক ডেপুটি সেক্রেটারি প্রেস নোট দিয়ে জানিয়েছেন, নানা মতবিরোধ হয়েই থাকে কিন্তু যা প্রকাশ করা হয়েছে তা পুরো ঘটনার আংশিক রূপ মাত্র।
বলাই বাহুল্য, এসআইআর প্রকল্পটাই অসাংবিধানিক। কী প্রক্রিয়ায় এটা গঠন হল, প্রয়োগ করার সিদ্ধান্ত হল, তা কারও জানা নেই। যোগেন্দ্র যাদব বারবার জিজ্ঞাসা করে দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসেছেন। ২০২৩'এর অগস্ট মাসে এই কুকীর্তির সূত্রপাত, যখন কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিল নিয়ে আসে যার ফলে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার (সিইসি) নিয়োগ করার কমিটিতে পরিবর্তন করা হয়: কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বদলে একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীকে স্থান দেওয়া হয়। এরপরেই নির্বাচনী ব্যবস্থা শাসক দলের কুক্ষিগত হয়ে যায়।
এসআইআর নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি দোলাচলে ভুগেছে। মমতা এর বিরোধিতা করলেও ভেবেছেন এটা ম্যানেজ করে নেবেন। সিপিএম ভেবেছে মমতা প্রচুর ভুয়ো নাম ঢুকিয়েছে সেগুলো বাদ যাবে, তাতে ভালোই হবে, অবশেষে 'পিসি-ভাইপো'র হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। যখন দেখেছে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, প্রতিবাদ করছে তখন তারা এর বিরোধিতা শুরু করে। কেরালায় দুটি বিরোধী জোট ভেবেছে এটা তাদের পক্ষেই যাবে, তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-ও তাই। এত দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও ১০০ জন সাংসদ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের জন্য সংসদে স্পিকারের কাছে আবেদন করেছেন। মনে হয়, জঞ্জালের ঝুড়িতে সেটার স্থান হয়েছে।
ইতিমধ্যে 'ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'এর এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্টের ওপর বিভিন্ন দল, গোষ্ঠী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন। জ্ঞানেশের পদত্যাগ এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মোকদ্দমা চালু করা সবার প্রধান দাবি। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জ্ঞানেশ কুমারকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে বলেছে, নয়তো দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলন গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছে। সঙ্গে যে প্রধান দাবিগুলি রেখেছে:
১) সমস্ত রাজ্যের এসআইআর বাতিল করো;
২) যাঁদের নাম অন্যায় ভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে তা পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করো;
৩) আশু নির্বাচনগুলি এসআইআর পূর্ববর্তী তালিকার ভিত্তিতে করো;
৪) নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন সংশোধন করে নিরপেক্ষ কমিটি করতে হবে যাতে শাসক দলের আধিপত্য খন্ডন করা যেতে পারে।
এছাড়া যে সব রাজ্যে এসআইআর'এর অধীনে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করার দাবিও উঠেছে। সংসদের উভয় কক্ষে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে ইম্পিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হবে। উপরোক্ত দাবিগুলির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সিজেপি সমস্ত দলকে নির্বাচন বয়কট করার আবেদন করেছে। বাম দল সহ বিভিন্ন বিরোধী দল, সিজেপি, নাগরিক সমাজ ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশ জুড়ে লাগাতার প্রতিবাদ বিক্ষোভের আওয়াজ দিয়েছে।
এসআইআর একটি গণহত্যা, জেনোসাইড। এর মাধ্যমে দেশে দু' শ্রেণির মানুষ সৃষ্টি করা হচ্ছে: যাঁদের ভোটাধিকার আছে, যাঁদের নেই। ভোটাধিকার নেই এরকম মানুষের সংখ্যা ১৩ কোটি হয়ে গেছে। ২০২৪ সালে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৭ কোটি, সেটা আজ এসে দাঁড়িয়েছে ৮৪ কোটিতে (প্রায় ১৩ শতাংশ কম)। যাঁদের নাম বাদ গেছে তাঁরা মূলত মুসলিম, খ্রিস্টান, দলিত, আদিবাসী, নিরক্ষর, অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল মানুষ, দিনমজুর, পরিযায়ী শ্রমিক। এঁদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মহিলা আছেন। মনে রাখতে হবে, এসআইআর একটি অন্তহীন প্রক্রিয়া, অর্থাৎ প্রতি নির্বাচনের আগে এটি হবে এবং প্রধানত উপরে উল্লিখিত মানুষেরা বে-ভোটারে পরিণত হবেন। ধীরে ধীরে মোট ভোটারের মধ্যে সবর্ণদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং এঁরাই যে কোনও নির্বাচনে নির্ণায়ক শক্তি হয়ে দাঁড়াবে। সমস্ত দলকেই উচ্চবর্ণের ভোটের ওপর নির্ভর করতে হবে যা হিন্দু রাষ্ট্র গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে আরও দৃঢ় করবে। দ্বিতীয়ত বে-ভোটার মানুষেরা সরকারি সমাজকল্যাণমূলক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন, বাংলা এবং বিহারে যা বাস্তবে চালু হয়ে গেছে। এর ফলে এইসব প্রকল্প চালু রাখার জন্য রাষ্ট্রের যে বিপুল খরচ তা ক্রমশ হ্রাস পাবে। বুঝতে অসুবিধা হয় না, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন বলেন ২৭ লাখের মধ্যে মাত্র ৭ লাখ ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছেন, বাস্তবে যেখানে আবেদন করেছেন ২০ লাখ। ভুল তথ্য দিয়ে তিনি সামাজিক প্রকল্পে রাজ্য সরকারের খরচ কমানোর চেষ্টা করছেন। তৃতীয়ত, যা অনেকেই বলেছেন, বে-ভোটারদের একটা বিপুল মজুর বাহিনী তৈরি হবে যাঁদের সামান্য মজুরিতে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে কাজ করানো যাবে।
তাই দেশ ও দেশের মানুষের সর্বাঙ্গীণ স্বার্থে এসআইআর বাতিল করতেই হবে, তার জন্য জ্ঞানেশ কুমারকেও সরাতে হবে, কমিশনার নির্বাচনের সিলেকশন কমিটি পুনর্গঠন করতে হবে। বিরোধী দলগুলি যা করার করবে, কিন্তু মানুষকে রাস্তায় নামতেই হবে। রাস্তার আন্দোলনই ভারতের গণতন্ত্রকে রাহুমুক্ত করতে পারে।

No comments:
Post a Comment