রোগীর অধিকার ও প্রতিরোধের পথ
উত্তান বন্দ্যোপাধ্যায়
একজন ২৪ বছরের পর্বতারোহী জ্বর নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে এক মাসের মধ্যে মারা গেলেন। এই একটি ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় রোগীরা কতটা অসহায়। আমরা চিকিৎসা কিনি, টাকা দিই, অথচ চিকিৎসার সময় আমাদের ইচ্ছা, আমাদের মতামতের কোনও দাম থাকে না। রোগী এখানে চিরকালই দুর্বল পক্ষ।
চিকিৎসায় গাফিলতি কাকে বলে?
অ্যাডভোকেট নিশান্ত ভারিহোকে স্পষ্ট করেছেন যে হাসপাতালে সব মৃত্যুই গাফিলতি নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান জাদু নয়। সঠিক চিকিৎসার পরেও রোগী মারা যেতে পারেন। সেটা জটিলতা, গাফিলতি নয়।
গাফিলতি প্রমাণ করতে তিনটি শর্ত লাগে:
১) দায়িত্বের কর্তব্য: ডাক্তার রোগী দেখলেই আইনি দায়িত্ব শুরু হয়।
২) কর্তব্যে ত্রুটি: একজন সাধারণ দক্ষ ডাক্তার যা করতেন, তার চেয়ে নিম্নমানের সেবা দেওয়া।
৩) পরিমাপযোগ্য ক্ষতি: মৃত্যু, পঙ্গুত্ব, আর্থিক ক্ষতি বা অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণা।
এই তিনটিই প্রমাণ করতে হবে।
ভারতের বুকে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগের কিছু উদাহরণ:
১) অনুরাধা সাহা মামলা, কলকাতা ১৯৯৮: মার্কিন প্রবাসী শিশু মনোবিজ্ঞানী অনুরাধা সামান্য ত্বকের অ্যালার্জি নিয়ে ভর্তি হন। তাঁকে মাত্রাতিরিক্ত স্টেরয়েড ডেপোমেড্রল দেওয়া হয়। চিকিৎসার ভুলে তাঁর শরীরের চামড়া খসে পড়ে এবং তিনি মারা যান। ১৫ বছর আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট এএমআরআই হাসপাতাল ও তিন ডাক্তারকে ৫.৯৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয়। ভারতে চিকিৎসায় গাফিলতির মামলায় এটিই সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ।
২) আকাঙ্ক্ষা শর্মা মামলা, ২০১২: দিল্লির ফর্টিস হাসপাতালে ১৭ বছরের মেয়ে মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের পর মারা যায়। অভিযোগ, অপারেশনের পর আইসিইউ-তে প্রয়োজনীয় নজরদারি ছিল না। রক্তক্ষরণের লক্ষণ উপেক্ষা করা হয়। আকাঙ্ক্ষা শর্মা মামলার রায় বেরয় ১৭ মার্চ, ২০১৬। এটা Dr. K K Sharma vs Fortis Hospital মামলা। ১৭ বছরের আকাঙ্ক্ষা শর্মার বাবা ডা. কে কে শর্মা চণ্ডীগড় স্টেট কমিশনে অভিযোগ করেন। স্টেট কমিশন ১৫/০৪/২০০৮ তারিখে মামলা খারিজ করে দিলে তিনি ন্যাশনাল কনজিউমার ডিসপুটস রিড্রেসাল কমিশনে (NCDRC) আপিল করেন। NCDRC ১৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে রায় দেয়। রায়ে NCDRC বলে, হাসপাতালের কোনও গাফিলতি প্রমাণিত হয়নি এবং অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়। তাই এই মামলায় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি।
৩) খালি অক্সিজেন সিলিন্ডার, গোরক্ষপুর ২০১৭: বিআরডি মেডিকেল কলেজে অক্সিজেনের অভাবে ৬০ জনের বেশি শিশু মারা যায়। হাসপাতাল বিল মেটায়নি বলে সরবরাহকারী সংস্থা অক্সিজেনের জোগান বন্ধ করে দেয়। এটা সরাসরি প্রশাসনিক গাফিলতি ও ফৌজদারি অপরাধের উদাহরণ। গোরক্ষপুর ২০১৭ অক্সিজেন মামলার রায়টি একক কোনও 'রায়' নয়, একাধিক মামলার ফলশ্রুতি। মূল ঘটনা ছিল ১০-১১ আগস্ট ২০১৭, BRD মেডিকেল কলেজে অক্সিজেন সংকটে শিশুমৃত্যু। অক্সিজেন সরবরাহকারী Manish Bhandari-কে সুপ্রিম কোর্ট ৯ এপ্রিল ২০১৮ জামিন দেয়। PIL মামলাগুলো এলাহাবাদ হাইকোর্ট ২৭ অক্টোবর ২০২২ খারিজ করে দেয়। চূড়ান্ত দোষী সাব্যস্তের রায় এখনও হয়নি, যদিও সরকারি তদন্তে 'অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়নি' বলা হয়েছে।
৪) ভুল পা কেটে ফেলা, মুম্বাই ২০১৬: একটি বেসরকারি হাসপাতালে ডায়াবেটিক রোগীর ডান পায়ের বদলে বাম পা কেটে ফেলা হয়। রিপোর্ট না দেখেই অপারেশন করা হয়েছিল। পরে রোগীর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি ঘটে ১৯ জুন ২০১৬'এ। রোগী রবি রাই ডান পায়ে চোট নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। কেসটিতে NCDRC রায় দেয় ২৪ জুন ২০২৪। মোট ১.১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য হয়-- যার মধ্যে ফর্টিস হাসপাতাল ৯০ লাখ এবং দুই সার্জন ১০ লাখ করে দেবেন। ২ ডিসেম্বর ২০২৪'এ সুপ্রিম কোর্ট সার্জন ডা. রাহুল কাকরানের আপিল খারিজ করে 'Gross medical negligence' বলে NCDRC-র রায় বহাল রাখে।
উপরের উদাহরণে সবকটিই যে সুস্পষ্ট গাফিলতি, তঞ্চকতা ও অনেক ক্ষেত্রে অন্যায় লাভের জন্য ইচ্ছাকৃত অবহেলা তা নয় যদিও, তবে অনেকগুলো কেসই তাই।
ডাক্তারদের দায়িত্ব ও আইন কী বলে?
মেডিকেল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া ২০০২ সালে Indian Medical Council (Professional Conduct, Etiquette and Ethics) Regulations, 2002 জারি করে। ২০২০ সালে MCI ভেঙে National Medical Commission (NMC) গঠিত হয়। ২০২৩ সালে NMC Registered Medical Practitioner (Professional Conduct) Regulations, 2023 আনা হয়। এই আইনে স্পষ্ট বলা আছে:
১) রোগীর সম্মতি: কোনও পরীক্ষা বা অপারেশনের আগে রোগীকে ঝুঁকি বুঝিয়ে লিখিত সম্মতি নিতে হবে। বাধ্য করা যাবে না।
২) যুক্তিসঙ্গত যত্ন: ডাক্তারকে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ যত্ন নিতে হবে।
৩) রেকর্ড রাখা: সব প্রেসক্রিপশন, কেস হিস্ট্রি, ইনডোর চার্ট ৩ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে। BHT (Bead Head Ticket) /Treatment Order এবং নার্সদের ওয়ার্ক শিট ইত্যাদি রোগী বা রোগীর বাড়ির লোক চাইলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দিতে হবে।
৪) কমিশন নেওয়া নিষিদ্ধ: ওষুধ কোম্পানি বা ল্যাব থেকে কাটমানি, উপহার নেওয়া পেশাগত অসদাচরণ।
৫) জেনেরিক ওষুধ: ডাক্তারকে সম্ভব হলে জেনেরিক নামে ওষুধ লিখতে হবে।
এই নিয়ম ভাঙলেই তা Professional Misconduct। আর সেবার মান ইচ্ছাকৃতভাবে খারাপ হলে তা Medical Negligence। পাশাপাশি Consumer Protection Act, 2019 অনুযায়ী চিকিৎসা একটি পরিষেবা। তাই অপ্রয়োজনীয় টেস্ট করানো, প্যাকেজের বাইরে বিল বাড়ানো, মৃতদেহ আটকে রাখা Unfair Trade Practice বলে গণ্য হবে। এই তিনটিই আইনের বিচারে চিকিৎসায় গাফিলতির আওতায় আসে।
কর্পোরেট হাসপাতাল কীভাবে শোষণ করে?
১) টার্গেট সিস্টেম: অনেক কর্পোরেট হাসপাতালে ডাক্তারদের মাসে নির্দিষ্ট সংখ্যক সার্জারি বা অ্যাডমিশনের টার্গেট দেওয়া হয়। ফলে অপ্রয়োজনীয় অপারেশন বাড়ে।
২) প্যাকেজের ফাঁদ: ২ লাখের প্যাকেজে ভর্তি করিয়ে শেষে ৫ লাখ বিল ধরানো হয়। বলা হয় জটিলতা হয়েছে।
৩) কমিশন চক্র: নির্দিষ্ট ল্যাব বা ফার্মেসি থেকে টেস্ট করালে ডাক্তার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমিশন পান।
৪) আইসিইউ ব্যবসা: রোগী মারা গেলেও ভেন্টিলেটরে রেখে বিল বাড়ানো হয়। আত্মীয়দের মিথ্যা আশা দেওয়া হয়।
৫) ইনস্যুরেন্স হয়রানি: ক্যাশলেস রোগীকে দেরি করে ছাড়া, যাতে বেড চার্জ বাড়ে।
ফলে, বহু ক্ষেত্রেই অতিচিকিৎসা বা অপচিকিৎসা হয়। যাদের ইন্স্যুরেন্স আছে তারাও রেহাই পান না, বরং অতিচিকিৎসার প্রবণতাও এ ক্ষেত্রে বেশিই হয় যেহেতু মেডিক্লেমে সব টাকার প্রায় সিংহভাগ খরচ করে দেয় অপ্রয়োজনীয় টেস্ট বা প্রসিডিওর করে। গরিব মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগে। তাদের হাতে আইনি লড়াইয়ের টাকা নেই, সময় নেই, প্রভাবও নেই।
গাফিলতির শিকার হলে গরিব মানুষ কী করবেন?
আইনজীবী ভারিহোকের পরামর্শ অনুযায়ী চারটি পথ আছে:
ক) সব নথি সংগ্রহ: ডিসচার্জ সামারি, প্রেসক্রিপশন, বিল, সিসিটিভি, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এইসব হাসপাতাল দিতে বাধ্য।
খ) স্টেট মেডিকেল কাউন্সিল: এখানে অভিযোগ করলে লাইসেন্স বাতিল পর্যন্ত হতে পারে। এই রিপোর্ট পরের মামলায় কাজে লাগে।
গ) কনজিউমার কোর্ট: জেলা, রাজ্য, জাতীয় স্তরে মামলা করা যায়। খরচ কম, তুলনায় দ্রুত। চিকিৎসা খরচ, আয়ের ক্ষতি, মানসিক যন্ত্রণার ক্ষতিপূরণ চাওয়া যায়।
ঘ) দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা: ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ১০৬ ধারা অনুযায়ী গাফিলতিতে মৃত্যু হলে জেল হতে পারে। তবে প্রমাণ কঠিন। রেকর্ড জালিয়াতি থাকলে মামলা শক্ত হয়।
বিনামূল্যে আইনি সাহায্যের জন্য District Legal Services Authority-তে যোগাযোগ করা যায়।
কেন অসাধু ডাক্তার ও কর্পোরেটরা আইনের বিরোধিতা করে?
১) টাকার অঙ্ক: স্বাস্থ্য হল ভারতে ২০০ বিলিয়ন ডলারের বাজার। ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হলে ব্যবসার লাভ কমে। পুরো হেলথ কেয়ার ইকোসিস্টেমের FY25-এ বাণিজ্য $300 বিলিয়ন, যা ২০৩০-এ $700 বিলিয়নে পৌঁছবে (সূত্র: মিনিস্ট্রি অফ্ হেলথ এ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার, ভারত সরকার কর্তৃক সার্ভে)।
২) রাজনৈতিক যোগ: অনেক বড় হাসপাতালের মালিক সরাসরি রাজনৈতিক নেতা বা তাঁদের ঘনিষ্ঠ। আইন কড়া হলে এঁদের স্বার্থে আঘাত লাগে।
৩) ডাক্তারদের লবি: আইএমএ'র মতো সংগঠনের কোনও কোনও নেতৃত্বের যুক্তি যে, মামলার ভয়ে ডাক্তাররা ঝুঁকি নেবেন না, এতে Defensive Medicine বাড়বে। অথচ আসল ভয় হল জবাবদিহির।
৪) প্রমাণের জটিলতা: চিকিৎসার ভাষা সাধারণ মানুষ বোঝে না। ডাক্তাররা একে অপরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে চান না। এই কাঠামোগত সুবিধা তাঁরা হারাতে চান না।
রোগী পরিষেবা কেনে কিন্তু তার ইচ্ছার দাম নেই। ডাক্তার-রোগী সম্পর্ক বিশ্বাসের, কিন্তু সেই বিশ্বাস ভাঙলে প্রতিকারের পথ ভীষণ কঠিন। তবু ন্যায়বিচার অসম্ভব নয়। অনুরাধা সাহা মামলা প্রমাণ করেছে যে লড়াই করলে প্রায় ৬ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই জরিমানাই কর্পোরেট হাসপাতালকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাওয়ায়।
তাই চুপ করে থাকলে চলবে না। রেকর্ড চাইতে হবে, প্রশ্ন করতে হবে, আইনের পথে হাঁটতে হবে। কারণ, চিকিৎসায় গাফিলতি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হল তাকে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ব্যয়বহুল করে তোলার বিরুদ্ধে কথা বলা। রোগীর জীবনের দাম আছে। সেটা হাসপাতালের বিল দিয়ে মাপা যায় না। 'স্বাস্থ্য'কে মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিটি কোনওভাবেই যেন হারিয়ে না যায়।
তথ্যসূত্র:
১) আইনি ও রেগুলেটরি সূত্র:
1. National Medical Commission Regulations, 2023
- NMC Registered Medical Practitioner (Professional Conduct) Regulations, 2023
- ডাক্তারের কর্তব্য, রোগীর সম্মতি, রেকর্ড রাখা, কমিশন নিষিদ্ধ - সব ধারা এখানে আছে।
- সূত্র: NMC-এর অফিসিয়াল গেজেট, ২ আগস্ট ২০২৩।
2. Consumer Protection Act, 2019-
- ধারা ২(৪২) এ চিকিৎসা পরিষেবাকে 'Service' বলা হয়েছে;
- Unfair Trade Practice'এর ব্যাখ্যা এখান থেকেই এসেছে।
3. ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ - ধারা ১০৬
- আগে ছিল IPC 304A। গাফিলতিতে মৃত্যুর শাস্তি এখানে বলা আছে।
- সূত্র: Ministry of Home Affairs গেজেট।
4. Jacob Mathew vs State of Punjab, 2005
- সুপ্রিম কোর্টের এই রায়েই গাফিলতির তিন শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়: Duty, Breach, Damage;
- Bolam Test-এর ভারতীয় প্রয়োগ এখানেই।
২) কেস ল ও জাজমেন্ট
1. Kunal Saha vs Dr. Sukumar Mukherjee, 2013
- অনুরাধা সাহা মামলার রায়। সুপ্রিম কোর্টের ২৪ অক্টোবর ২০১৩-এর জাজমেন্ট;
- ৫.৯৬ কোটি ক্ষতিপূরণের ডিটেল এখান থেকে।
2. Puneet Ahluwalia vs Fortis Escorts, 2024
- ভুল পা কাটার কেস। NCDRC ২৪ জুন ২০২৪ ও সুপ্রিম কোর্ট ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
3. Dr. K.K. Sharma vs Fortis Hospital, 2016
- আকাঙ্ক্ষা শর্মা মামলা। NCDRC ১৭ মার্চ ২০১৬'এর রায়।
৩) সরকারি রিপোর্ট ও ডেটা
1. Ministry of Health & Family Welfare রিপোর্ট
- ভারতের হেলথ কেয়ার মার্কেট সাইজ: FY2025 এ $300 বিলিয়ন, ২০৩০-এ $700 বিলিয়ন প্রজেকশন;
- সূত্র: Invest India, MoHFW Annual Report।
2. BRD মেডিকেল কলেজ তদন্ত রিপোর্ট
- গোরক্ষপুর ২০১৭ ঘটনার সরকারি তদন্ত। অক্সিজেন সংকট অস্বীকার করা হয়েছে এখানে;
- এলাহাবাদ হাইকোর্ট PIL খারিজ ২৭ অক্টোবর ২০২২।
৪) আইনি বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আর্টিকেল
1. অ্যাডভোকেট নিশান্ত ভারিহোকের ইন্টারভিউ/লেখা
- গাফিলতি বনাম জটিলতার পার্থক্য, ৪টি পথ - এই ফ্রেমওয়ার্কটা ওনার বক্তব্য থেকে নেওয়া।
2. IMA-র পজিশন পেপার
- Defensive Medicine নিয়ে ডাক্তারদের লবির যুক্তি এখান থেকে।
3. District Legal Services Authority-র গাইডলাইন
- গরিব রোগীদের বিনামূল্যে আইনি সাহায্যের প্রসেস এখানে আছে।
৫) মিডিয়া ও ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট
1. The Hindu, Indian Express, Times of India আর্কাইভ
- অনুরাধা সাহা মামলা।
2. লাইভ ল', বার অ্যান্ড বেঞ্চ
- জাজমেন্টের অরিজিনাল কপি আর আইনি বিশ্লেষণ এগুলোতে পাওয়া যায়।





