Thursday, 26 February 2026

'আদাব': শ্লীল বনাম অশ্লীল

এতই যদি বোঝো...

মালবিকা মিত্র



= সব কথাতেই কি উত্তর দিতে হবে? কিছু কথা উপেক্ষা করো, ইগনোর করো। দেখো না, ভালো ব্যাটসম্যান কিছু কিছু বল খেলে না। ছেড়ে দেয়। সব বল রান তোলার না। এইসব বাজে কথার জবাব দিতে যেও না। 

# একদম, একদম ঠিক কথা বলেছ। কিছু বল ছাড়তে হয় ঠিকই। কিন্তু সেগুলো হল খুব ভালো বল, যে বলে শিল্প আছে, কৌশল আছে, বিপদ আছে। তাকে সমীহ করে ছাড়তে হয়। কিন্তু বাজে খাজা বলকে, সৌরভ গাঙ্গুলীর ভাষায়, 'বাপি বাড়ি যা' একটাই জবাব। এই জবাবটা না দিলে বোলার পেয়ে বসবে। ভাবতে পারো, সমরেশ বসুর এক কালজয়ী সৃষ্টি 'আদাব'। সেই গল্পে নাকি কোনও খারাপ কথা আছে। সেইসব নাকি বাদ দিতে হবে। এ তো ভয়ঙ্কর কথা, সমরেশ বসুকে এডিট করা। 

= আসলে বুঝতেই পারছ, অভিভাবক মহলের আপত্তি নয়। কিছু দুষ্ট মানুষ প্রশ্নগুলো তুলছে। এমনকি খোঁজ করলে জানতে পারবে, এদের ঘরে কেউ সরকারি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়েই না। কিন্তু প্রশ্ন তো তুলতে হবে। সামনেই ভোট, ভোট বড় বালাই। তাই 'অভিভাবকরা বলছিল' বলে আপত্তি তোলা। এটা সম্পূর্ণই রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক, বুঝতেই পারছ।

# আজ থেকে পঁয়ত্রিশ বছর আগে আমার দিদির ছেলে বলেছিল, 'মানি, আমার বন্ধু বীরু খুব খারাপ কথা বলে।' কী কথা বলে? খারাপ কথা বললে মুখে গন্ধ হয়। ওরা বললেও তুমি বলবে না, আমি বোঝালাম। তারপর বলল, 'বলে কি 'বজ্জাত', আরও আছে গো মানি। বলে 'ছ্যামড়া ছেমড়ি'। বীরুর দিদিমা নাকি বলে।' বোঝো, এই হল কুকথার নমুনা। 

= শুধু কি তাই? আমি স্কুলে সেভেনে বাংলা পড়াতাম, পাঠ্যাংশ ছিল 'বিরসার কথা'। সেখানে জমিদার, মহাজন সম্পর্কে প্রায়ই 'হারামি' শব্দের ব্যবহার করেছেন মহাশ্বেতা দেবী। আমি কি মহাশ্বেতা দেবীর লেখায় কলম চালাব? আমাকে তো কোনও ছাত্র তখন এই শব্দ নিয়ে কোনও প্রশ্ন করেনি। কোনও অভিভাবক সেদিন বলতে আসেনি যে, পাঠ্যপুস্তকে আকথা কুকথা শেখানো হচ্ছে। এটা মানতেই হবে যে, 'ঢ্যামনা' শব্দে অভিভাবকদের আপত্তির বিষয়টা সম্পূর্ণই সুসংগঠিত একটা প্রয়াস। যে অভিভাবকদের দেখানো হচ্ছে, তাদের সরাসরি প্রশ্ন করো, গল্পটা পড়েছে কিনা। দেখবে তারা কেউ পড়েনি। তাদেরকে মিডিয়ার সাংবাদিক ওই একটা শব্দ দেখিয়ে প্রশ্ন করছে।

# তার চেয়েও বড় কথা তুমি ভাবো, যে দেশে মন্ত্রী প্রকাশ্যে বলে 'দেশ কো গদ্দার কো, গোলি মারো শালোকো', সেখানে সমরেশ বসুর ভাষা নিয়ে প্রশ্ন? তাদের সুপ্রিমো একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করার জন্য বলে, 'যাদের চারটে-ছটা ছেলেমেয়ে পয়দা হয়।' এইরকম পরিবেশ পরিস্থিতিতে কুকথা, হেট স্পিচ নিয়ে কারও কোনও কথা বলার থাকতে পারে বলে আমার মনে হয় না। 

= স্কুল ছাত্রদের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী নির্বিশেষে দেখেছি এখন খিস্তি খেউড় খুব সহজভাবেই মুখনিঃসৃত হয়। তারা যে কোনও খারাপ কথা বলছে, তার জন্য সচেতন ভাবে, সচকিত আশপাশ দেখে বলছে, তাও নয়। আসলে ওরা অজান্তেই কথাগুলো বলছে। ওই কথাগুলো এখন বাংলা কথার লব্জ হয়ে গেছে। বাংলা মিডিয়াম যারা তাদের ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে চুলের হিন্দি উচ্চারণ এবং পুরুষাঙ্গের প্রচলিত নামটি সারাক্ষণই মুখে ধরে থাকে। আর ইংরেজি হিন্দি মিডিয়াম হলে তো কথাই নেই। কাজের মেয়েকে বলতে শুনেছি, 'সাহেব, মেমসাহেব সারাক্ষণ কী যে কথায় কথায় 'ফাক ফাক' বলে বুঝি না।' 

# বেশ কিছু সিনেমায়, বলা যায় অধিকাংশ সিনেমায়, কুৎসিত অশ্রাব্য গালিগালাজ খিস্তি সহ সংলাপ উচ্চারিত হয়। পরিচালকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে সেগুলি মেয়েদের মুখে, উদ্দেশ্যমূলক ভাবে বসায়। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ সর্বত্র কুৎসিত অসুন্দর অশ্রাব্যের নরক গুলজার চলেছে। এমতাবস্থায় অভিভাবকরা নাকি 'ঢ্যামনা' শব্দে আপত্তি জানিয়েছে। তাও আবার নিম্নবর্গের একজন মানুষের মুখে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে শব্দটি উচ্চারিত হয়েছে। কোনও শব্দের সুন্দর-অসুন্দর বিচার করতে হয় স্থান কাল পাত্রের ভিত্তিতে। এটি একটি নিম্নবর্গের গ্রাম্য মানুষের মুখের প্রচলিত শব্দ। এরপর তো মনে হচ্ছে পোয়াতি, গতর, মাগ পুত, বৌ, ঝি এসব শব্দকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। বংগাল ঝাড়খন্ডি কত শব্দই তো আছে যা শুনলে কলকেইত্যা মান্য ভাষার মনে হবে গালিগালাজ। বাংলা শব্দ ভাণ্ডারের এই রতনরাজি কি শেষ অবধি বর্জন করতে হবে কিছু মানুষের উদ্দেশ্যমূলক প্রচারের কারণে? 

= এদের আসলে বিলম্বিত বয়ঃসন্ধি কাটেনি। আমরা ছোটবেলায় যখন পড়তাম গঙ্গা যমুনার সঙ্গমস্থলে প্রয়াগে হর্ষবর্ধন মেলায় অকাতরে দান করতেন, শেষ অবধি নিজের পরিধেয় বস্ত্রখণ্ডটিও দান করে দিতেন। ভগিনী রাজশ্রীর কাছ থেকে একটি বস্ত্রখণ্ড চেয়ে নিয়ে পরিধান করতেন। আমাদের ছেলেমানুষী মনে প্রশ্ন জাগত, রাজশ্রী বস্ত্রখণ্ড না দিলে হর্ষবর্ধন কীভাবে প্রাসাদে ফিরতেন? এই ইতিহাসকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হয়। কারণ, বয়ঃসন্ধির এই প্রশ্ন অত্যন্ত স্বাভাবিক। আর্কিমিডিস তাঁর সূত্র, নিমজ্জিত বস্তু তার নিজ আয়তনের সম আয়তন তরলকে প্রতিস্থাপন করে, এটা আবিষ্কার করতে পেরে বাথটাব থেকে উঠে 'ইউরেকা ইউরেকা' বলে রাজপ্রাসাদে ছুটে ছিলেন বলে আমরা শুনেছি। আমাদের প্রশ্ন জাগত, আর্কিমিডিস বাথটাব থেকে ওঠার পর পোশাক পড়েছিলেন তো? এসব ছিল আমাদের বয়ঃসন্ধির প্রশ্ন। আজ যারা প্রশ্ন করছেন তাদের বিলম্বিত বয়ঃসন্ধি, এ বড় বিপদজনক। 

# একদম ঠিক কথা বলেছ। সেই কবিতাটা মনে করো। ভগবান বুদ্ধের শিষ্য নগরীতে ভিক্ষা গ্রহণ করছেন বুদ্ধের সেবার জন্য। নগরীর নর-নারী রতন হার, রাজবেশ ইত্যাদি মহামূল্যবান সামগ্রী দান করছেন। সেই  বৌদ্ধ ভিক্ষুকে শ্রেষ্ঠ ভিক্ষার এক বর্ণনা এইরকম:

'দীন নারী এক ভূতল-শয়ন

না ছিল তাহার অশন ভূষণ,

সে আসি নমিল সাধুর চরণ-কমলে

অরণ্য-আড়ালে রহি কোনো মতে

একমাত্র বাস নিল গাত্র হতে,

বাহুটি বাড়ায়ে ফেলি দিল পথে ভূতলে

ভিক্ষু ঊর্ধ্বভুজে করে জয়নাদ,

কহে “ধন্য মাতঃ, করি আশীর্বাদ,

মহাভিক্ষুকের পুরাইলে সাধ পলকে।”

চলিলা সন্ন্যাসী ত্যজিয়া নগর

ছিন্ন চীরখানি লয়ে শিরোপর,

সঁপিতে বুদ্ধের চরণ-নখর আলোকে।'


আজকের পদিপিসি'রা এখানেই থামতেন না। তিনি নিশ্চয়ই অরণ্যের ওপাশে ভিক্ষুণীর এরপর কী হল দেখার জন্য উঁকি দিতেন এবং এই কবিতাকে কুশিক্ষা ও অশ্লীল অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেন। ভাবতে পারো, বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, 'পোন্দে নাই চাম, রাধাকৃষ্ণের নাম।' এই পদিপিসিদের কথা ভেবেই সেটাকে শুদ্ধ বঙ্কিমী কায়দায় অশোক মিত্র লিখেছিলেন, 'পশ্চাদদেশে নাই চর্মাবরণ, রাধাকৃষ্ণের নামোচ্চারণ।'

= মনে আছে, কিছু পদিপিসি মিনিমাসি গোছের মানুষ যারা ক্লাসে পড়াতে গেছেন সুবোধ ঘোষের 'অযান্ত্রিক'। ড্রাইভার বিমলের সঙ্গে তার লড়ঝড় মোটর গাড়িটার একটা আত্মিক সম্পর্ক। তার সাথে বিমল কথা বলে, গাড়িও কথার উত্তর দেয়। গাড়িটি আর যন্ত্র নয়, সে জীবন্ত। নাম জগদ্দল। এই লড়ঝড় গাড়ি নিয়ে সবাই বিমলকে মস্করা করে, ব্যঙ্গ বিদ্রুপ, পেছনে লাগা, সবই চলে। বিমল তাতে খুব রেগে যায়। কোনও এক পদিপিসি শিক্ষিকা পড়াতে গেছেন ক্লাসে--

'... স্ট্যান্ডের এক কোণে তার সব দৈন্য আর জরাভার নিয়ে যাত্রীর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে বুড়ো জগদ্দল। পাশে হাল-মডেল গাড়িটার সুমসৃণ ছাইরঙা বনেটের ওপর গা এলিয়ে বসে পিয়ারা সিং, বিমলকে টিটকারি দিয়ে কথা বলে, 'আর কেন, এ বিমলবাবু? এবার তোমার বুড়িকে পেনশন দাও।’

‘-হুঁ, তারপর তোমার মতো একটা চটকদার হাল-মডেল বেশ্যে রাখি।’ বিমল সটান উত্তর দেয়। পিয়ারা সিং আর কিছু বলা বাহুল্য মনে করে; কারণ বললেই বিমল রেগে যাবে, আর তার রাগ বড় বুনো ধরনের।' এইখানে সেই শিক্ষিকা থামলেন। বললেন এই অংশটিতে খারাপ কথা লেখা আছে। এটা তোমাদের পড়তে হবে না, বাদ দাও। এরপর বোধ করি এরা ছোটদের 'ইকির মিকির' ছড়ায় 'চাল কুটতে হলো বেলা, ভাত খাও গে জামাই শালা' উচ্চারণ করবে না। কারণ, 'শালা' একটি 'খারাপ' শব্দ। অপশব্দ। 

# একদম ঠিক কথা বলেছ। জানো, 'রানার' কবিতা ছিল সপ্তম বা অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত। সেখানে রানারের দুঃখ কষ্ট ও মানসিক অবস্থার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলা ছিল, 'ঘরে তার প্রিয়া একা শয্যায় বিনিদ্র রাত জাগে।' এই ছত্রটি বাদ দেওয়া হয়েছিল। মনে হয়, পদিপিসিরা নিশ্চয়ই প্রিয়া একা জাগে, নাকি রানারের অনুপস্থিতিতে পরপুরুষ ঘরে আসে, অনেক কিছু ভাবনা চিন্তা করে এই ছত্রটি বাদ দিয়েছিলেন। ওই কবিতাতে আছে, 'কত চিঠি লেখে লোকে, কত সুখে প্রেমে আবেগে স্মৃতিতে কত দুঃখে ও শোকে।' এখানে যেহেতু প্রেমের চিঠি অর্থাৎ প্রেমপত্রের কথা আছে, তাই এই ছত্রটিও বাদ দেওয়া হয়েছিল। আমাদের এক শিক্ষিকা তো ক্লাসে মানব দেহ ও নানাবিধ তন্ত্র পড়াতে গিয়ে ছাত্রীদের স্তন গ্রন্থির অংশটি বইয়ে কেটে দিতে বলেন। উল্লেখ করা দরকার, ওই দিদিমণি প্রভিশনাল ক্লাস নিতে গিয়েছিলেন। পরে নির্ধারিত দিদিমণি ক্লাস করাতে গিয়ে দেখেন, সব ছাত্রীর বইয়ে ওই অংশটি পেন দিয়ে কেটে দেওয়া আছে। তিনি টিচার্স রুমে ফিরে এসে বলেছিলেন, 'ভাগ্যিস, জয়শ্রীদি শুধু বইয়েই কেটেছেন।' 

= কি আশ্চর্য! সিলেবাসে স্তন গ্রন্থি বা ম্যামারি গ্ল্যান্ড সম্পর্কে সাধারণ কয়েকটি কথা বলা আছে। এই সময়েই তো তাকে এই গ্রন্থিটি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সেটাই স্বাস্থ্য সম্মত। এখানেই চেতনার দীনতা।

# 'ভালো-মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে'-- এই কথাটা যথার্থভাবে উপলব্ধি না করলে, সত্য গোপন ও আড়াল করলে তা বিকৃতভাবে আরও বিপজ্জনক ভাবে প্রকাশ পায়, যা অস্বস্তি বাড়ায় বই কমায় না। শিশু মায়ের আলমারিতে স্যানিটারি ন্যাপকিন'এর প্যাকেট দেখে মাকে প্রশ্ন করে 'এগুলো কী মা?' মা তাকে বোঝায়, টিভির বিজ্ঞাপনে দেখনি, এগুলো কালি শোষণ করে। ফলশ্রুতি, সন্তান এই কালি শোষা তার বিদ্যালয় সহপাঠিনীকে গিফট করে। সহপাঠিনী সেই গিফট বাড়িতে মা-বাবাকে দেখায়। মা বাবা বিদ্যালয়ে প্রিন্সিপালকে রিপোর্ট করে। সেই সন্তানের অভিভাবককে ডেকে পাঠানো হয়। 'আপনারা পিতা-মাতা হয়ে সন্তানের থেকে নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন ও জীবনের একান্ত বিষয়কে আড়াল করতে শেখেননি।' প্রিন্সিপালের ভর্ৎসনা। এখানেই হল বিপদ।  

বিপদ তো বটেই কিন্তু মনে রেখ, 

১) 'আদাব' সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুবিখ্যাত গল্প। আপত্তিটা আসলে সেখানেই। ঘুরিয়ে অন্য প্রশ্ন তুলছে।

২) নির্বাচন না থাকলে রাজ্য সরকারের বিদ্যালয়ের কোন পুস্তকে কী আছে এ নিয়ে কেউ দেখত না। কারণ, এতই যদি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রতি অভিভাবকদের সচেতন মনিটারিং থাকত, তাহলে বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন, শৃঙ্খলা সব পাল্টে যেত। বিদ্যালয়গুলি গঙ্গাযাত্রার হাত থেকে বাঁচত। মনে আছে, ঠাকুমা একটা বাগধারা বলতেন, 'এতই যদি বোঝো মা, তাহলে বাবা কেন ম'লো?' মায়ের লাঞ্ছনা গঞ্জনাতেই বাবার অকালমৃত্যু। আর সেই মৃত্যুর পর মায়ের বিলাপ-- তোর বাবা কত ভালো ছিল, সংসারে কত নজর ছিল, তোর বাবাকে ছাড়া সংসার মনিহারা ফণী ইত্যাদি। এই সময় ছেলের মোক্ষম প্রশ্ন, 'এতই যদি বোঝো মা, তাহলে বাবা কেন ম'লো?'


5 comments:

  1. খুব ভালো লাগলো

    ReplyDelete
  2. ঢ্যামনা শব্দে আপত্তি একমাত্র ঢ্যামনাদেরই হবে, এটাই স্বাভাবিক

    ReplyDelete
  3. সোমা চ্যাটার্জি26 February 2026 at 14:23

    দারুণ লিখেছেন, !

    ReplyDelete
  4. অবশ্যই আদাব রচনা।
    মন্তব্য করার মতো এইমুহুর্তে ভাষাহীন।
    তাই অভিবাদন। ❣️🙏

    ReplyDelete
  5. ভালো লেখা। তবে "এতই যদি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রতি অভিভাবকদের সচেতন মনিটারিং থাকত, তাহলে বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন, শৃঙ্খলা সব পাল্টে যেত। বিদ্যালয়গুলি গঙ্গাযাত্রার হাত থেকে বাঁচত।" এইটুকু ছাড়া সবটুকুই মানলাম।

    ReplyDelete