Wednesday, 11 March 2026

‘ইতিহাস তোমাদের মহাকাব্যের মতো’

বর্তমান সময়ের চিন্তার খোরাক

অনিন্দ্য ভট্টাচার্য



বাংলা ও বাঙালি নিয়ে এখন দেশ জুড়েই এক তীব্র আলোড়ন। কিছু কিছু রাজ্যে কোনও এক মতাদর্শের তরফে বাঙালি নিধন ও বাংলায় কথা বললেই ‘বাংলাদেশি’ চিহ্নিতকরণ বেশ রেওয়াজ হয়ে উঠেছে। কোনও কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে ‘বাংলা দখল’ হয়ে উঠেছে পাখির চোখ; চলছে বাংলা ও বাঙালি মন নিয়ে তামাশা-গবেষণা অথবা বোঝারও চেষ্টা। ‘বঙ্কিমদা’ থেকে ‘স্বামী রামকৃষ্ণ’— সবই ওই বাঙালি মননের নাগাল পাওয়ার বাসনা অথবা ঠাট্টা-ইয়ার্কি। অতএব, সটান ঢুকে পড়া যাক সে মনের কুহকে। ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’য় কুসুমের প্রতি শশী ডাক্তারের সেই জর্জরিত সংলাপটিও অতি ব্যবহারে ক্লিশে। তাই আমরা সোজা শুরু করব আলাপনের ‘বাঙালির মন’ গ্রন্থের শেষ নিবন্ধটি থেকে: ভাষার মন; যা কলকাতার গঙ্গাবঙ্গে নোয়াম চমস্কি’র সঙ্গে তাঁর ঘন্টা দুয়েকের বিহার পর্বে উত্থিত কিছু আলাপ, প্রাপ্তি ও সংলাপের সমাহার। বলাই বাহুল্য, এই আলাপ ও প্রশ্নোত্তর পর্ব কতকগুলি মৌলিক ভাবনা ও দ্যোতনাকে ইঙ্গিত করে, যা কালের বিচারে অম্লান হয়ে থাকবে।

উক্ত নিবন্ধে আমাকে যে প্রসঙ্গটি নাড়া দিয়েছে— চমস্কির কাছে ভাষাতত্ত্ব ও সমাজতত্ত্ব যে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ব্যাপার, সে বিষয়ে তাঁর স্পষ্ট ব্যাখ্যাটি। এ সম্পর্কে আলাপনের প্রশ্নের উত্তরে চমস্কি বলেন, ‘ভাষা-দর্শনে আমার কিছু বিশেষ কাজ বা পড়াশুনো আছে। কিন্তু সমাজ বা আর পাঁচটা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আমি যখন কথা বলি, তখন সেই কথার পিছনে আমার ওই বিশেষ কাজের কোনও ভূমিকা থাকে না। আমার সাধারণ বিচার-বিবেচনা দিয়েই আমি সমাজ বা সমসাময়িক প্রসঙ্গে আমার মতে পৌঁছাই। যে-কোনও লোকই এই মতে পৌঁছাতে পারেন বা এই মত বুঝতে পারেন। এর জন্য কোনও আলাদা পড়াশুনো বা প্রশিক্ষণ লাগে না।’ এই সোজাসাপ্টা উচ্চারণে চকিতে বুঝে যাই আধুনিক গণপ্রজাতন্ত্রের সার্থকতা ও আপেক্ষিক শ্রেষ্ঠত্ব। সমাজ বা রাষ্ট্রের সুপরিচালনায় পাণ্ডিত্য লাগে না, কাণ্ডজ্ঞান, মানবিকতা ও পরিণত বোধবুদ্ধিই যথেষ্ট। সম্ভবত সেই চত্বরেই ভাষার মনটিও লুকিয়ে থাকে; যে মন ভাষার বাহনে সংযোগ ও সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই মনের নির্মাণে হারিয়ে যাওয়া ভাষাও প্রাণ পায়। অতএব, ভাষার মৃত্যু প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে চমস্কি’র উত্তর, ‘হঠাৎ নতুন করে ওয়েলশ ভাষা নিয়ে একটা জোয়ার দেখা দিয়েছে। উৎসব, আনন্দ, সাহিত্য, স্ফূর্তি— সব কিছুর মধ্যে আবার ওই ভাষাকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বাচ্চারা নতুন করে ওই ভাষায় কথা বলছে। এরকমও হয়। হওয়া সম্ভব।’

ভাষার নৈপুণ্যে, অনুসন্ধিৎসু মনের গভীর অবরোহণে ও নবতর ভাবনা-বোধের আরোহণে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা সুপরিচিত ও সমাদৃত। এ নিয়ে নতুন উল্লেখের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ‘বাঙালির মন’কে এভাবে যে চারিদিক থেকে দেখার আছে, সে সবের মাত্রা বিশেষে নানাবিধ অবলোকন আছে, তা এই বইটি না পড়লে আন্দাজই পেতাম না। শুধু কি ভাষার মন? নায়কের মন, ভদ্রলোকের মন, মফস্‌সলির মন, শিক্ষাজীবীর মন, বণিকের মন, সন্ন্যাসীর মন, উদ্বাস্তুর মন, দলিতের মন, নারীর মন— এমনবিধ নানা গোত্রে সে মনের বিচরণ। সেখানে এত প্রাচুর্য ও প্রশ্নের সম্ভার, তার তল পেতে পেতে বেলা বয়ে যায়। বরং আমি যেখানে যেখানে থমকে দাঁড়িয়েছি, কিছুটা ভাবতে চেষ্টা করেছি, সর্বোপরি, যা মনে তীব্র আঁচড় কেটেছে, সেই সেই খণ্ডাংশগুলিই না হয় খানিক ধরার চেষ্টা করি; লেখক নিজেই যখন ভূমিকায় বলছেন, ‘এই বই বাঙালির মনের পূর্ণাবয়ব প্রতিকৃতি নয়— কিছু খণ্ডচিত্রের কোলাজ মাত্র…’।

‘নায়কের মন’ অধ্যায়ে লেখক তিন জনপ্রিয় বাঙালি নায়ককে— শরৎচন্দ্রের ‘দেবদাস’, বিভূতিভূষণের ‘অপু’ ও তারাশঙ্করের ‘দেবু পণ্ডিত’-- তিনটি ভাগে বেঁটেছেন। দেবদাসকে তিনি দেখেছেন, ‘আধুনিক বাঙালির সকালে বিশ্বমুখী নাগরিকতা ও কর্মচাঞ্চল্যের প্রাধান্য। আধুনিক বাঙালির সন্ধ্যাবেলা কেবলই ক্লান্ত গৃহকাতরতা। এখানেই দেবদাস সায়ংকালীন বাঙালির অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিনিধি।’ অপু’র কাহিনি আলাপনের কাছে এক ‘বিরোধাভাসের কাহিনি। … অপুর জনপ্রিয়তার মধ্যে রেনেসাঁসের সম্পন্ন ও ঐশ্বর্যবান বাঙালিত্বের পরাজয়ের উপাখ্যানটুকু লুকোনো আছে। … এ কাহিনি সুন্দর, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ কাহিনি আমাদের সামাজিক ব্যর্থতার দলিল।’ আর দেবু পণ্ডিত যেন দাঁড়িয়ে এক অন্যতর সামাজিক গোত্রে— চাষীর ছেলে, সদ্‌গোপ, মধ্যশিক্ষিত, জাতপাত না মানা, পরিবর্তনকামী এক নায়ক; আলাপনের ভাষায়, ‘দূরে দূরে ছড়িয়ে থাকা গ্রামগুলির একেকটি প্রত্যন্ত কোণে একেকজন অনামী মানুষ ধীরে ধীরে কীভাবে নিজেকে আধুনিক রাজনীতির কর্মযজ্ঞে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করছিলেন, সে বৃত্তান্ত কোথাও পাই না। তারাশংকরের দেবু পণ্ডিত সেই বৃত্তান্ত উপহার দেয়, সেখানেই তার ঐতিহাসিক মূল্য।’ জায়মান বাঙালির স্রোতে এই তিন নায়ক আজও সমান উপস্থিত, যদিচ, আবরণে লেগেছে যুগের হাওয়া কিন্তু অন্দর যেন তবু অমলিন।

যেহেতু আলোচিত গ্রন্থটি লেখকের বিভিন্ন সময়ে লেখা নিবন্ধের এক সংকলন (যদিও একত্রে হওয়ার মূল সূত্রটি ‘বাঙালির মন’), তাই এ সম্পর্কিত আলোচনা এক বিক্ষিপ্ত চলনেই এগোয়। আলাদা আলাদা মনের বাহারগুলিকে টানা গদ্যের বুনোটে বাঁধা মুশকিল, ফলে, আমাদের লাফ দিয়ে চলা ছাড়া উপায় নেই।

বাংলা ও বাঙালির ইতিহাসে ‘বাঙালি ভদ্রলোক’ বিনে এদিক-সেদিক নড়াচড়ার পথ আছে কী? তাই, ‘ভদ্রলোকের মন’ বোঝারও প্রচেষ্টা। আলাপনের মতে, ‘তুর্ক-আফগান সুলতানি আমলেই বঙ্গে ভদ্রলোকের ঐতিহাসিক বিবর্তনের সূত্রপাত।’ সে ব্যতীত কারা ‘ভদ্রলোক’ নন, তার একটি তালিকাও লেখক দিয়েছেন; যেমন, নারী, মুসলমান, মধ্য ও পশ্চাৎপদ বর্ণভুক্ত মানুষ, দলিত, আদিবাসী, বিহারি, রাজস্থানি, গুজরাতি, নেপালি প্রভৃতি অ-বঙ্গভাষী কিন্তু বঙ্গবাসী মানুষ। সম্ভবত এই পঙক্তিভুক্তিতে বাংলার রাজনীতির মূল সূত্রটি নিহিত। বিংশ শতকের মধ্যভাগে হেম নস্কর, পঞ্চানন বর্মা, ফজলুল হক, সুরাবর্দি প্রমুখ বাঙালি নিম্নবর্ণ ও মুসলমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্থানের ফলে বর্ণহিন্দু ভদ্রলোকের যে বিপন্নতা ও অপ্রাসঙ্গিকতার সূত্রপাত, তারই প্রকাশ হিসেবে দরকার ছিল ‘এক নতুন বিশ্ববীক্ষা, যা তাঁর সর্বহারাত্বকে তুলে ধরবে, যা তাঁর বণিকের লোভের প্রতি ‘ঘৃণা’কে মহত্ত্বে গরীয়ান করবে, যা তাঁর ক্ষীয়মাণ জমিদারি বিষয়-আশয়ের প্রতি উদাসীনতাকে উজ্জ্বল জয়ধ্বজে পরিণতি দেবে।’ এরপরেই তিনি যোগ করেছেন এক অত্যন্ত সাহসী উচ্চারণকে— ‘ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত-মানবেন্দ্রনাথ রায়-অবনী মুখার্জি-হীরেন মুখার্জি-সোমনাথ লাহিড়িদের কমিউনিজমকে বা লেখক-শিল্পীদের ফ্যাসিবাদ-বিরোধী প্রগতি আন্দোলনকে বা আইপিটিএ মঞ্চকে তাই ভদ্রলোকের বৌদ্ধিক নেতৃত্ব জারি রাখার প্রয়াস হিসেবেও দেখা সম্ভব। … দুই মহাযুদ্ধের অন্তর্বর্তী পর্বে সংকটাপন্ন ভদ্রলোকের কাছে সাম্যের আদর্শ যে তর্কযোগ্যভাবে একটা আধিপত্যকামী হেজেমনি-রক্ষার ঢাল ছিল, সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।’ বাংলার রাজনীতি অবশেষে কেন বর্ণহিন্দু ভদ্রলোক বনাম নিম্নবর্ণ ম্লেচ্ছ দ্বন্দ্বে আজ স্পষ্টত ভাগ হয়ে চলেছে, তার সূত্র-সন্ধান হয়তো এই ইতিহাস-বর্ণনায় আছে। 

এইভাবেই তিনি কিছুটা ছিন্নভিন্ন করেন বাঙালির আর সব মনের গড়নকে। ইতিহাসের দিকে তাঁর তীক্ষ্ণ নজর, সেই গহ্বর থেকেই তিনি উদ্ধার করেন বর্তমান ও ভবিষ্যৎ’কে। অনুমান, Psychohistory’র গবেষণা আমাদের এমনতর  অনুসন্ধানের দিকে উৎসাহিত করতে পারে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এরিক এরিকসন’কে এই ধারার উদ্ভাবক বলে মনে করা হয়। ১৯৭০’এর দশকে The Journal of Psychohistory’র প্রকাশনার শুরু। এই ধারা রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে কিছুটা পিছনে ঠেলে কোনও ঐতিহাসিক ব্যক্তি বা জনসমষ্টির উত্থান বা কার্যকালের মনস্তাত্ত্বিক কারণ বিশ্লেষণ করতে চায়। এই শাস্ত্রের চর্চা আলাপনের কাজের পিছনে কোনও অনুপ্রেরণা কিনা, তা বলতে পারি না, তবে তিনি যে বাংলায় এমত চর্চার পথপ্রদর্শক তা হয়তো বলা যায়। লেখকের পরিচয়ে উল্লিখিত আছে, তিনি ‘পেশায় রাষ্ট্রব্যাপারী, নেশায় মনোবিহারী’; মনের সে ঐতিহাসিক বিহার এই গ্রন্থের পরতে পরতে।

কী অনায়াস ব্যঞ্জনায় ‘মফস্‌সলির মন’কে তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘মহাত্মার নেতৃত্বে ভারতীয় রাজনীতির মেট্রোপলিস-নির্ভরতা কমল, মুসলমান ও দলিতদের রাজনৈতিক তাৎপর্য ও শক্তি বেড়েই চলল দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী পর্বে এবং তার ফলে বরিশাল (উদীয়মান মুসলিম রাজনীতির একটি প্রধান কেন্দ্র) বা রংপুর (রাজবংশীদের প্রাণকেন্দ্র) বা ওড়াকান্দি (নমঃশূদ্র-মতুয়াদের ধর্মকেন্দ্র) নামক স্থাননামগুলি বাংলার জনজীবনচিত্রে সুনির্দিষ্ট অবয়ব পেল। কলকাতা নামক মহানগরীর বৃহৎ বিলুপ্ত-মুখশ্রী প্রচ্ছায়াভূমি হিসেবে নয়, কলকাতা নামক শহরে অবস্থিত ব্যবস্থাপক সভার নির্ধারক ও চালিকা শক্তি হিসেবে উঠে এল প্রাদেশিক শহর-গ্রামগুলি।’ এইভাবেই তিনি নানাবিধ মনের কোণে বা কেন্দ্রস্থলে স্থাপন করেন নতুন বীজ; আজকের সময়ে যা পরিপুষ্ট হতে পারে আলোকিত কোনও উদ্ভাসনে। অনেক সময় হয়তো আমরা পথ খুঁজে পাই।

আরও যে সব মনের কথা আমার তরফে অনুচ্চারিত থাকল, তা পাঠকেরা স্বচিত্তে উদ্ধার করে নেবেন গ্রন্থটি থেকে। এই নতুন উদ্ভাসন হয়তো বর্তমানের বহু সমস্যাকে দেখার চোখটিকেও গড়ে নিতে চাইবে। যেমন, ‘উদ্বাস্তু মন’এ আলাপন প্রফুল্ল রায়ের সাহিত্যকর্মকে বিশদে তুলে ধরেন এই অনালোকিত পর্বটি বোঝাতে যে, উদ্বাস্তু স্রোত শুধু পূর্ববঙ্গ থেকে এদিক পানে আসেনি, ওদিক পানেও সে বহমানতা ছিল। আলাপনের ভাষায়, ‘দাঙ্গাবিদীর্ণ কলকাতা ছেড়ে মধ্যবিত্ত ভীত মুসলমান ভদ্রলোকের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পাকিস্তান-যাত্রার কাহিনি পশ্চিমবঙ্গ-বাসী বাঙালি হিন্দুর সাহিত্যকর্মে তেমন পাই না। প্রফুল্ল রায় বড় ব্যতিক্রম।’ হঠাৎ করে নিক্ষিপ্ত বিদ্বেষ-ভারে দীর্ণ হতে থাকা আজকের চারপাশে এই বয়ান আমাদের সেতু গড়তে সহায়ক হয়।    

অবশ্যপাঠ্য এই গ্রন্থে সংকলিত নিবন্ধগুলির অন্তিমে লেখার সন-তারিখ উল্লিখিত থাকলে (অল্প কিছুতে অবশ্য অন্য ভঙ্গিতে আছে) সময়কে ধরতে আরও সুবিধা হত। বলি, প্রচ্ছদ ছবিটি মনে ধরেনি। অন্যথায়, অত্যাশ্চর্য এই গ্রন্থের পরিশেষে আলাপনকে বলা চমস্কি’র সেই অমূল্য কথা দুটি উদ্ধৃত করি: ‘ইতিহাস তোমাদের মহাকাব্যের মতো। যে যেরকম শিক্ষা নিতে চায়, সে সেরকম শিক্ষা নেবে।’ এ বইয়ের পাঠ না নিলে সময় আপনাকে অভাগা ঠাওড়াতে পারে। 

বাঙালির মন। আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। দে’জ পাবলিশিং। জানুয়ারি ২০২৬। ৪০০ টাকা।        

2 comments:

  1. খুব প্রাসঙ্গিক তবে কম আলোচিত কয়েকটি দিক অনিন্দ্যের লেখাতে উদ্ভাসিত হয়েছে যা সমাজতত্ত্ব আর সমাজবোধের এক অদ্ভুত মিলনকে (চোমস্কির কথাতেই মূর্ত) সচেতন পাঠকের কাছে লিপিবোধ্য ( বদ্ধ নয়)করে সমাজসম্পর্কিত একটি সার্বিক দিগন্ত খুলে দেওয়া হয়েছে সযত্নে। এই বিশেষ লেখাটি আমার কাছে অনবদ্য মনে হল।শুধু শেষ বাক্যটি বেশ কিছুটা বিচারধর্মী ।এটুকু না লিখলেই ভালো হত। তথাপি এ লেখা থেকে অনেক রসদ পাবেন সমাজসচেতন বিবেকবান পাঠকবৃন্দ।

    ReplyDelete
  2. ব‌ইটার কথা খুব শুনেছি এবছরের ব‌ইমেলা থেকে। খুব আগ্রহী পড়তে । তবে আপনার আলোচনা আরও দ্রুত পড়তে উৎসাহী করল । আপনার লেখাটা থেকে বাঙালির মন সম্পর্কে ছোটো ছোটো সূত্র পেলাম। খুব ভালো আলোচনা।

    ReplyDelete