Sunday, 25 January 2026

কিশোরী গর্ভাবস্থা থেকে মুক্তি...

সুস্থ সমর্থ পূর্ণাঙ্গ নারী দেশের সম্পদ

শুক্তিসিতা



আপনি কি জানেন, এই বাংলারই কোনও কোনও জেলায় ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৪০ জন মেয়েরই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে ১৮ বছরের নিচে? এ বিষয়ে প্রথমেই দায়ী হন তার পরিবার, যাঁরা মনে করেন ‘আপদ বিদায়’ হল; নইলে বেশি পণ দিতে হবে, পড়াতে হবে, খাওয়াতে হবে। মা-বাবাকে ‘বয়সকালে দেখবে তো বাড়ির ছেলেই’। তবে? আচ্ছা, শিক্ষক-শিক্ষিকারা দায়ী নন? ওঁরা কি বোঝাতে পারেননি মেয়েটি পড়তে পারে? মেয়েটিও বড় হবে? রোজগার করবে? মেয়েটির জীবনে নিজস্ব কিছু আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, আনন্দ আছে। আর বিয়ে ঠেকিয়ে রাখতে পারে না স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ আর পঞ্চায়েত? স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ মানুষ, ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এমনকি তার বান্ধবীরাও?

বিয়ের পর কী? অনিবার্য মাতৃত্ব। ভাবুন তো, এক ১৪ বা ১৫ বছরের মেয়ে মা হয়ে যাচ্ছে। অথচ তার শরীর এখনও গঠিত নয়। ফলে, অনিবার্য মাতৃত্ব সঙ্গে নিয়ে আসে অনিবার্য নানা বিপদও। সাধারণত নিরক্ষর বা স্বল্প স্বাক্ষর গরিব ঘরের মেয়েদেরই এই বিপদটি বেশি। তারা স্বাভাবিকভাবেই অপুষ্ট, অ্যানিমিয়াগ্রস্ত। এই অপুষ্ট, অসুস্থ, অপ্রস্তুত মায়ের গর্ভকালও বিপন্ন।

সারা পৃথিবীতে ১৩.৫ কোটি শিশুর জন্মের মধ্যে ১ কোটি ৫০ লক্ষ শিশুর মায়ের বয়স ১৫ থেকে ১৯'এর মধ্যে। ২০ লক্ষ শিশুর মায়ের বয়স ১২ থেকে ১৫'এর মধ্যে।

লতিকাকে খুব ভোরবেলা ডেকে নিয়ে গিয়েছিল ওর নিজের মামাতো দাদা। লতিকা বুঝতে পারেনি। বলল, চল্, চল্, একটা খুব মজার জিনিস দেখাব। ওদের বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার হেঁটে আসার পর ওকে নিয়ে গমের ক্ষেতে ঢুকে পড়ল। লতিকার মুখ বেঁধে... খুব, খুউব, খুউব ব্যথা। লতিকার ঠ্যাং বেঁধে আলের ধারে শুইয়ে রেখেছিল ওর ওই দাদাই। ওর রক্তমাখা জামা আর অজ্ঞান শরীরটা দেখে ওদের পাড়ার বিজু মাসি লতিকার বাবা-মাকে খবর দেয়। লতিকার বয়স বারো।

সামাজিকভাবে জানা গেছে এই কিশোরীদের মধ্যে অনেকেই বিয়ের আগেই মা হয়ে যাচ্ছে। এর কারণ নানাবিধ-

১) পরিবারের মধ্যে বা বাইরে ধর্ষণ;

২) নিজের ইচ্ছায়;

৩) দারিদ্র্যের জন্য পরিবারের দ্বারা বা স্বেচ্ছায় গণিকাবৃত্তি;

৪) পাচার হয়ে গিয়ে অবৈধভাবে।

এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ কারণগুলি সরাসরি আইনি সুরক্ষা ও ব্যবস্থার অনুপস্থিতির জন্য ঘটে। দ্বিতীয় কারণটিও আজকাল শহরে/গ্রামে প্রবল আকার ধারণ করছে। পরিযায়ী মা-বাবার ফেলে যাওয়া সংসার সামলায় বস্তুত বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং কিশোর-প্রজন্ম। ফলে, তাদের পড়াশোনার ব্যাপারে আগ্রহ সহজেই শিথিল হয়ে পড়ে। এরা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ে। ক্লাসে সহায়তাও মেলে না। অথচ হাতে সুলভে মেলে মোবাইল ফোন। সেখানে বিচিত্র পর্নোগ্রাফি সহ বিভিন্ন প্রলোভনের শিকার হয় কিশোরীটি। অথচ যৌনতার পাঠ নেই; শরীরবিজ্ঞানও সে জানে না। নিজেকে রক্ষায় সে অক্ষম। গর্ভ নিরোধক'এর ব্যবহারেও সে অজ্ঞ।

বিন্নির বাবা-মা দুজনেই দু' মাস হল কেরলে চলে গেছে। ঘরে আছে ওর ঠাকুমা আর দাদু। দাদুর চোখে ছানি। ঠাকুমা হাঁটু ব্যথায় কাতরায়। বিন্নিকে সামলাতে হয় ওর ছোট ভাইকেও। এখন ঠাকুমা রোজ সকালে চিল্লায়, 'ঘরটা ঝাঁট দিলিনে বিন্নি?', 'ওরে ও মেয়ে, যা গিয়ে জল ভরে আন্।', 'আরে একটু চুলোর পানে আয় না, ভাত তো সিদ্ধ হয়ে গেল। দুটো আলু ফেলতে পারলি না?' বিন্নির ভালো লাগে না। রোজ সেই একই খাবার। আলু সেদ্ধ ভাত আর শাক ভাজা। মাছ কতদিন খায়নি। বাবা কবে টাকা পাঠাবে, তবে খাবে। বিন্নির বন্ধু টুকলি'র বাবা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। টুকলি'কে কি সুন্দর মোবাইল কিনে দিয়েছে। টুকলি বিন্নিকে রোজ বিকেলে কত ছবি দেখায়। দেখতে দেখতে একদিন ফোনই করে বসল শাকিলকে। শাকিল আর বিন্নির দেখা হতে লাগল। শাকিল কত স্বপ্ন দেখায়। স্বপ্ন দেখতে দেখতে বিন্নির শরীরও ভরে ওঠে। এই মাসে বিন্নির পিরিয়ড হয়নি। টুকলি ওকে ভয় দেখাল, 'তুই কি প্রেগন্যান্ট হয়ে গেলি?' বিন্নির মা নেই। ও কাকে বলবে? বিন্নি ওর পিসির বাড়ি গেল। 

'পিসি, তিন মাস আমার পিরিয়ড হয়নি।'

পিসি হায় হায় করে উঠল। 'ছি ছি ছি এ কী করলি বিন্নি?' 

মার সাথে কী কথা হল পিসির, বিন্নি বুঝতে পারল না। পিসি বলল, 'কাল দুপুরে আসিস।' বিন্নি এখন একটা অন্ধকার ঘরে শুয়ে আছে। অঝোরে রক্তপাত হয়ে চলেছে। বন্ধ হচ্ছে না। বিন্নির বয়স তেরো।

এই অকাল-গর্ভে সে দারুণভাবে শঙ্কিত, লজ্জিত ও বিপন্ন। তার পরিবারকে জানাতেই সময় চলে যায় বহু সপ্তাহ। তবুও তার পরিবার এই দুর্দশা কাটাতে বেসরকারি জায়গায় যান গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে। এই ধরনের বেআইনি অসাধু, অবৈজ্ঞানিক গর্ভপাতের ফলাফল:

১) প্রবল রক্তপাত;

২) জরায়ুতে ঘা;

৩) যৌনাঙ্গ ও জরায়ু আহত;

৪) ফিস্টুলা;

৫) অসম্পূর্ণ গর্ভপাত, ফলে আবার অস্ত্রোপচার দরকার হয়, যার ঝুঁকিও খুব বেশি;

৬) মৃত্যু।

দীর্ঘকালীন কুফল:

১) বন্ধ্যাত্ব;

২) কোমরে ব্যথা;

৩) পরবর্তী গর্ভের সমস্যা;

৪) জরায়ুতে ক্ষত;

৫) মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি: অবসাদ, উদ্বেগ, বিষাদ, ভয়, অপরাধবোধ ও আত্মহত্যার প্রবণতা;

৬) সামাজিক বিচ্ছিন্নতা, সামাজিক অত্যাচার, নিন্দা, পড়াশোনা শেষ হয়ে যাওয়া।

আর কিশোরীটি যদি শেষ পর্যন্ত সন্তান প্রসব করে, তার জন্যও অপেক্ষা করে থাকে তেমনি বহু শারীরিক, সামাজিক ও মানসিক ব্যাধি। প্রথমত, শিশুর ওজন খুব কম এবং শিশু-মৃত্যু [৫০ শতাংশ], দ্বিতীয়ত, মায়ের উচ্চ রক্তচাপ এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ঝিল্লি ছিঁড়ে যাওয়া, ডায়াবেটিস; মূত্রনালীর ব্যাধি, বেশি রক্তপাত হবার প্রবণতা; যৌন-ব্যাধির সংক্রমণ, হেপাটাইটিস-বি হবার প্রবল সম্ভাবনা, সময়ের আগে প্রসবের কারণে মায়ের মৃত্যুও হতে পারে।

কিশোরী-মায়ের জন্য স্বাভাবিকভাবেই পরিবারে দারিদ্র্য গভীরতর হয়। মা নিজে কোনও কাজে যুক্ত হতে পারে না। কোনও দক্ষতার প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারে না। ফলে, কাজের বাজারে তার দাম আরও কমে যায়। অর্থাৎ, কিশোরী-মাতৃত্বের কারণে সে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকার অধিকার হারায়। মা হবার পরে তার পুষ্টিরও বিশেষ হেরফের হয় না। ফলে, জীবনকে উন্নত করে গড়ে তোলার স্বপ্ন রুদ্ধ হয় তার কাছে। সে আবার মা হয়। তার শরীর ও মন আরও ক্ষইতে থাকে। পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও সে কোনও সদর্থক উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে না।

শাবানার বিয়েতে ওর বাবা জিতেই গিয়েছিলেন। বিডিও অফিসের চুক্তিকর্মী পিয়ন ওর বাবা আব্বাস। শাবানা দেখতে খুব সুন্দর বলে শহর থেকে খুব বড় ঘরের ছেলে ওকে বিয়ে করতে চাইছে। তাছাড়া দু' লক্ষ টাকাও দেবে। বাবা বলল, শাবানা! তুই আমাদের লক্ষ্মী। বিয়ের পরের মাসেই শাবানার পেটে বাচ্চা এসে গেল। শাবানা কিছু খেতে চায় না। ওর শাশুড়ি ওকে ভাল-মন্দ কিছু খেতেও দেয় না। বাচ্চাটাও হল লিকলিকে। শাবানার শরীরটাও দুর্বল। রান্নাঘরে যেতে ইচ্ছে করে না ওর। শাশুড়ি খুব খোঁটা দেয়। বরও গালি দেয়, প্রথম বাচ্চাটা মেয়ে হল, তাই। এক বছর বয়সী বাচ্চাটা। ভালো করে হাঁটতেও পারে না। শাবানা আবার গর্ভবতী। এখন শাবানার বয়স কুড়ি। ওর চারটে বাচ্চা। চারটেই মেয়ে। শ্বশুরবাড়িতে দিন রাত গালি খেতে খেতে শাবানা ঠিক করে, ও আত্মঘাতী হবে।

অথচ বেঁচে থাকা, নিরাপত্তা, নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ থেকে মুক্তি এবং দ্রুত বিচার- সবই শিশুর প্রাপ্য। যে কিশোরীটি আধুনিক হতে গিয়ে খাওয়া কমিয়ে দেয়, অথবা বাজারে-কেনা সুস্বাদু কিন্তু চূড়ান্ত অস্বাস্থ্যকর খাবার খায়, তারও কি স্বাস্থ্য-শিক্ষা পাওয়ার কথা ছিল না? বড় হবার সময়ে যে প্রলোভন আসে, তাকে সামলানোর মতো সংযম ও শিক্ষা কি তার হয়েছিল? সে কি জানে 'যৌনতা' নিরাপদও হতে পারে? সেই নিরাপত্তার উপাদানগুলি কি কিশোরীটি জানত? আচ্ছা, সে যদি ভালো খেলোয়াড় হতে চায়, তাহলে তার শরীরকে আরও মজবুত ও পুষ্ট করতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা ও অভ্যাস তারও দরকার। অথবা, কিশোরীটি সংগীত শিল্পী বা চিত্রকর হতে চাইতে পারে না? ভালো ডাক্তার বা প্রযুক্তিবিদ? বিজ্ঞানী? এই সব কিছু হতে চাইলে তার বিদ্যাশিক্ষাও নির্দিষ্ট সহায়তা দাবি করে। কিশোরীটির জন্য কি এই ব্যবস্থাগুলি মজুত আছে?

পরিবারে তার জন্য সম্মান জোটে? না লাঞ্ছনা? আত্মীয়স্বজনরা দেখা হলেই বিয়ের কথা পাড়েন, না জিজ্ঞেস করেন, 'কী রে, কী সিনেমা দেখছিস আজকাল?' বান্ধবীরা কি শুধু ছেলেদের দিকে তাকাতে বলে, না বলে, 'চল না, একটা নাটক করি আমরা!' গ্রামে প্রতিবন্ধী মানুষদের শংসাপত্র বানানোর জন্য ওই যে ছেলেটি এগিয়ে এল, তাকে বিডিও সাহেব কত প্রশংসা করলেন। সেও কি পারে না? আচ্ছা, স্কুলের মাস্টারমশাইরা পড়া-না পারলে শুধু গালি দেন? না বলেন, 'এই রবিবারে সকালটা ফাঁকা রাখিস। নদীর পাড়ে কয়েকটা গাছ লাগাব। ভূগোলের একটা ক্লাসও নেব কিন্তু।'

গতকালই ঈশা খবর পেয়েছে আফরিনের বিয়ে ঠিক হয়েছে। কারণ, আফরিন গর্ভবতী। আফরিনের বয়স সাড়ে-তেরো। ঈশা ওকে স্কুল থেকে ফেরার পথে চকলেট খাইয়ে 'অন্বেষা ক্লিনিক'-এ নিয়ে গেল। সেখানে যিনি কাউন্সেলর মহিলা, তিনি খুব যত্ন করলেন আফরিনকে। ডাক্তার দেখালেন। ওর গর্ভের বয়স তিন মাস। গর্ভপাত শুনেই আফরিন কাঁদতে লাগল। কাউন্সেলর বললেন, ওর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলবেন। এবার ঈশা বলল, 'শুধু বাবা-মা থাকলে হবে না। বিয়ে বন্ধ করতে হবে। ওর মা হওয়াও। আমাদের পাড়াতেই উপ-প্রধান থাকেন। আমি নিয়ে আসব।'

ঈশা কথা বলল ওদের স্কুলের হেড দিদিমণি শাবানা ম্যাডামের সঙ্গে। শাবানা ম্যাডাম আরও দু'জন মাস্টারমশাই, ‘প্রগতি’ সংঘের দু'জন দাদাকেও নিয়ে এলেন। রীতিমতো মিছিল। ডাক্তারবাবু বুঝিয়ে বললেন, এই অসতর্ক 'যৌনতা'র কুফলকে চাপা দেবার জন্য আরেকটা কুকাজ করবেন না। ওর বিয়ে দেবেন না! বাচ্চা হতে গিয়ে আফরিনের মৃত্যু হতে পারে। পুলক স্যার বললেন, আফরিন অঙ্কে খুব ভালো। আমি চাই ও বিজ্ঞানী হোক। বিয়ে হবে কেন? ‘প্রগতি’র দাদারা আর উপ-প্রধান তখনই শপথ নিলেন, আজ থেকেই বিভিন্ন জায়গায় কিশোরী-বিবাহের বিরুদ্ধে আর কিশোরী-মাতৃত্বের বিপদ সম্পর্কে পোস্টার লাগানো হবে।

ঈশা আজ জিতে গেল। বাড়ি ফেরার পথে বাবার সঙ্গে দেখা। আজকের গল্পটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই বাবা ওকে নিয়ে সরাসরি থানায় চললেন। ইনস্পেক্টর ঈশার খুব প্রশংসা করলেন। বললেন, 'ঈশা! তোমার মতো আরও অনেক ঈশা তৈরি করতে হবে তোমাকেই।' ঈশা উজ্জ্বল হেসে বলল, নিশ্চয়ই। ঈশার বন্ধুরা জড়ো হল ওদের বাড়িতে পরের দিন সকালবেলাতেই। আশা-পিসি এসেছেন ওদের বাড়িতে। পিসিকে বলতেই পিসি বললেন, চলো, এই গ্রামে শিগগিরই 'শিশু সুরক্ষা সমিতি'টা আবার জমিয়ে গড়ে তুলি!

আমাদের সব নাগরিককেই এ কথা মাথায় রাখতে হবে, একজন সুস্থ সমর্থ পুরুষের পাশাপাশি একজন সুস্থ সমর্থ পূর্ণাঙ্গ নারীও আমাদের দেশের অন্যতম সম্পদ। জীবন, নিরাপত্তা, বিকাশ এবং অংশগ্রহণ-- শিশুর এই চারটি অধিকারই নারীর জন্য প্রতিষ্ঠিত হোক।


2 comments:

  1. এই বাস্তবতা কি নির্বাচন আয়োগ জানে না?

    ReplyDelete
  2. সোমা চ্যাটার্জি25 January 2026 at 20:41

    বাহ্ , এই রকম একটি বিষয়ে আলোকপাত করে প্রতিবেদন করার জন্য একক মাত্রাকে ধন্যবাদ! এই বিষয় গুলি আরো সোচ্চারে সামনে নিয়ে আসা উচিত আমাদের, অর্ধেক আকাশ তো আমাদেরই প্রাপ্য, আমাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে ! লেখিকাকে অনেক অভিনন্দন !

    ReplyDelete