কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রলয়ে অর্থনৈতিক মহাবিপ্লব
অনিন্দ্য ভট্টাচার্য
একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশক মানব ইতিহাসের তীব্রতম অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সাক্ষী। ইতিমধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ভারী শিল্প, খনিজ সম্পদ বা স্পর্শক উৎপাদন খাতকে বহু পিছনে ফেলে প্রধান পরিসরটি দখল করে নিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক শিল্প। চলতি আর্থিক বছরগুলির পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিল্পে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিমাণ বার্ষিক ট্রিলিয়ন ডলারের গণ্ডি স্পর্শ করেছে। এনভিডিয়া (Nvidia), মাইক্রোসফট, অ্যালফাবেট, ওপেনএআই, অ্যানথ্রোপিকের (Anthropic)’এর মতো প্রযুক্তি দৈত্যদের সম্মিলিত বাজার মূল্য বিশ্বের প্রধান প্রধান রাষ্ট্রগুলোর জিডিপি’কেও ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে চিপ নির্মাতা ও জেনারেটিভ এআই মডেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম মাত্র কয়েক বছরে কয়েকশো গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলিতে পুঁজির এই তীব্র সমাগম প্রমাণ করে যে, ওয়াল স্ট্রিট থেকে শুরু করে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যৎ পৃথিবীর একমাত্র লাভজনক পরিসর হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে বুঝছে। এই অভূতপূর্ব পরিবর্তন এ তাবৎকালের অর্থনীতির সমস্ত ধ্রুপদী ভাবনা, শ্রম-পুঁজি সমীকরণ ও প্রথাগত বৃদ্ধি-মডেলকে সম্পূর্ণ অকেজো ও অচল করে দিয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ শুধু যান্ত্রিক ক্রিয়ামাত্র নয়, মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক, সৃজনশীল ও প্রশাসনিক কাজের ভারও নিখুঁতভাবে নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে। ব্যাঙ্কিং, আইনি পরামর্শ, কোডিং, কনটেন্ট তৈরি, গ্রাহক সেবা থেকে শুরু করে জটিল চিকিৎসা বিশ্লেষণের সিংহভাগই এখন এআই-এজেন্ট দ্বারা পরিচালিত। এর ফলে বিশ্ব জুড়ে লাখ লাখ মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত কর্মজীবী মানুষ রাতারাতি কাজ হারাচ্ছে। কারণ, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো মানবসম্পদের পেছনে ব্যয় সংকোচন হেতু অতি-উৎপাদনশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগে মেতে উঠেছে। অবশ্য পাশাপাশি, এই ধ্বংসস্তূপের ওপর কিছু নতুন কাজেরও সৃষ্টি হচ্ছে, তবে তা কোনও স্থায়ী বা স্থিতিশীল কর্মসংস্থান নয়। এই নতুন কাজগুলো মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়ক— যেমন, 'প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং', 'ডেটা অ্যানোটেশন' বা নির্দিষ্ট অ্যালগরিদমের ত্রুটি সংশোধন (Debugging) ইত্যাদি। এই কাজগুলো অত্যন্ত বিশেষায়িত (Highly Specialised) এবং বিশেষ মেধার দাবিদার হলেও এগুলোর স্থায়িত্ব স্বল্প সময়ের জন্যই— কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যত দ্রুত নিজেকে উন্নত করছে, এই সহায়ক কাজগুলোর প্রয়োজনীয়তাও তত দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। ফলে, নতুন সৃষ্টি হওয়া কর্মসংস্থান কর্মে নিযুক্ত শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদী চাকুরির নিশ্চয়তা দিতে ব্যর্থ।
কাজের বাজারের এই তীব্র রূপান্তর শ্রমের ভুবনকে সম্পূর্ণ অনিশ্চিত ও ভঙ্গুর করে তুলেছে। আজ যে দক্ষতা অর্জনের জন্য একজন তরুণ কয়েক বছর ব্যয় করছে, শিক্ষাজীবন শেষ করার আগেই সেই দক্ষতাটি নবতর প্রযুক্তির কাছে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে। সব কিছু এত ক্ষিপ্র গতিতে ও আকস্মিকভাবে ঘটছে যে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে চলতে পারছে না। কারণ, আমাদের চলমান শিক্ষাব্যবস্থা মূলত শিল্প বিপ্লবের যুগের সমগোত্রীয় শ্রমিক ও কর্মী তৈরির ছাঁচে গঠিত। চার বছরের একটি ডিগ্রি বা প্রথাগত পাঠক্রম আজ বাজারের তাৎক্ষণিক চাহিদার তুলনায় প্রায় এক দশক পিছিয়ে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে গতিতে তাদের সিলেবাস পরিবর্তন করে, প্রযুক্তি তার চেয়ে হাজার গুণ দ্রুত গতিতে বিবর্তিত হচ্ছে। ফলস্বরূপ, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তার প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে এবং ডিগ্রিধারী লাখ লাখ তরুণ এক চরম অনিশ্চয়তার অন্ধকারে পতিত হচ্ছে, যা শ্রমের বাজারে এক গভীর শূন্যতা ও কাঠামোগত সংকট তৈরি করেছে।
কাজের অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক ভিত্তির এই আকস্মিক ভাঙন কেবল বাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত সরাসরি আছড়ে পড়ছে সামাজিক ও পারিবারিক জীবনেও। কাজের অভাব মধ্যবিত্ত শ্রেণির মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে এবং সমাজে তীব্র অর্থনৈতিক বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। একদিকে মুষ্টিমেয় প্রযুক্তি-পুঁজির মালিকদের উপচে পড়া সম্পদ, অন্যদিকে কোটি কোটি সাধারণ মানুষের আয়ের পথ রুদ্ধ হওয়ার উপক্রম। দীর্ঘস্থায়ী বেকারত্ব ও ভবিষ্যৎহীনতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এক গভীর হতাশা, বিষাদগ্রস্ততা ও আত্মঘাতী প্রবণতার জন্ম দিচ্ছে। সমাজে অপরাধের ধরন পাল্টাচ্ছে, ডিজিটাল অপরাধ ও পারিবারিক হিংসা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ এক গভীর নৈরাজ্যের মুখোমুখি, যেখানে পুরনো সামাজিক নিয়মগুলো ভেঙে পড়ছে কিন্তু কোনও নতুন সুসংহত সামাজিক ভরসা গড়ে উঠছে না। এই আচম্বিত ও অযাচিত নতুন সমস্যাগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে মানুষ আজ সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ ও দিশেহারা।
আমরা দেখেছি, যখন একটি বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের অস্তিত্বের সংকটে ভোগে এবং অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ে, তখন অবচেতনভাবেই তাদের মনে এক ধরনের আদিম ভয় ও অতি-রক্ষণশীল মানসিকতা জন্ম নেয়। এই সামগ্রিক আবহে মানুষ নিজের দুর্দশার প্রকৃত কারণ বা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার ত্রুটিকে না বুঝে বোধবুদ্ধি হারিয়ে তাৎক্ষণিক ফল লাভের আশায় অযৌক্তিক ভাবনার ফাঁদে পড়ে প্রায়-পাগলদশায় নিমজ্জিত হয়। ফলে, এক বড় অংশের মানুষ মনে করতে থাকে যে, তার এই চরম সংকটের জন্য তার চারপাশের অন্য কোনও ‘অচেনা’ পরিসরের মানুষেরাই দায়ী— যেমন, অভিবাসী শ্রমিক, ভিন্ন ধর্ম, বর্ণ বা প্রান্তিক জাতির লোকজন। তারা মনে করে, এই 'অন্যরা' এসে তাদের যাপনে ও রুটি-রুজিতে ভাগ বসাচ্ছে। আর এই তীব্র নৈরাশ্য থেকে উদগত মনস্তাত্ত্বিক ভয়, অন্ধ ক্ষোভ ও পারস্পরিক ঘৃণাকেই সুচতুরভাবে কাজে লাগিয়ে দেশে দেশে শক্তিশালী হচ্ছে ফ্যাসিস্ট ও উগ্র-মৌলবাদী রাজনৈতিক শক্তিগুলি। তারা সুচতুর ভাবে এই অসহায়তা ও বিভাজন ভাবনাকে চাগিয়ে তুলছে (সোশ্যাল মিডিয়ার ফেক খবর ও মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্টতায় যা সম্ভবও হচ্ছে) এবং বর্ণবাদী, ধর্মবাদী বা উগ্র জাতীয়তাবাদী উন্মাদনা তৈরি করছে। এই ঘৃণার রাজনীতিকে পুঁজি করে তারা ক্ষমতা দখল করে (বেশ কিছু দেশে করেওছে) বিদ্বেষ ও বিভাজন-কেন্দ্রিক এক স্থায়ী মতান্ধ রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা প্রকৃত সংকটকে আড়াল করে সাধারণ মানুষের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও শোষণকে তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী করবে।
তাই বলে বিশ্ব তো এভাবে একবগগা হানাহানির নিয়মে দিনের পর দিন চলতে পারে না। অতএব, এই মহাসংকট থেকে নিষ্কৃতির কিছু বাস্তবোচিত রাস্তাও নির্মিত হচ্ছে। যখন দেখা যাচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আগুয়ান প্রলয়ে বিপুল ও স্থায়ী কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা প্রকারান্তরে বিলীন, তখন পথ হল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জারিত সুবিশাল উদ্বৃত্তের ওপর শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের অধিকারকে সুনিশ্চিত করা। অর্থাৎ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবশ্যম্ভাবী প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে কোনওভাবেই অস্বীকার না করে, বরং তাকে সানন্দে স্বাগত জানিয়ে, তার দ্বারা উৎসারিত যে বিপুল উৎপাদনশীলতা ও উপচে পড়া উদ্বৃত্ত-প্রবাহ, তার উপর যদি সর্বসাধারণের আইনি অধিকার কায়েম করা যায়, তবে মানুষকে আর বেঁচে থাকার জন্য বাধ্যত দৈনিক ৮-১৬ ঘণ্টা মজুরি-দাসত্ব করতে হয় না। সেই সুবাদে সূত্রপাত গোছের একটি উপায় হিসেবে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে নগদ হস্তান্তরের মাধ্যমে এই আইনি অধিকার প্রণয়ন করার চল হয়েছে— যেমন, ব্রাজিলে ‘বোলসা ফ্যামিলিয়া’, মেক্সিকো’তে ‘প্রোগ্রেসা’ অথবা, আলাস্কা’তে ‘পার্মানেন্ট ফান্ড ডিভিডেন্ড’, এমনকি ইরান, কেনিয়া, লাইবেরিয়াতেও এমন নানাবিধ প্রকল্প বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। সবিশেষ উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’, ‘যুবসাথী’ ইত্যাদি এবং তামিলনাড়ুতেও এই ধরনের নগদ হস্তান্তরের প্রকল্প বিশ্বের মর্যাদা কুড়িয়েছে ও অনুসরণযোগ্য পথ হিসেবে গ্রহণীয় হয়েছে; যদিচ, ইদানীং ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের’ নাম পরিবর্তন ও উপভোক্তাদের তালিকা কাটছাঁটের ফলে এই প্রকল্পটি আপাতত সর্বজনীন চরিত্র হারিয়ে কিছুটা বিশ বাঁও জলে এবং পরিণতিস্বরূপ জেলায় জেলায় চলছে অসন্তোষ ও বিক্ষোভ। বহু দেশে অবশ্য এখনও নগদ হস্তান্তরের প্রকল্প চালু না হলেও বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার মাধ্যমেও মানুষের ব্যয় কমানোর উদ্যোগ (প্রকারান্তরে, আয় বৃদ্ধি) বেশ স্পষ্ট। নিউ ইয়র্ক শহরের কর্পোরেশন এমনতর পরিষেবার জন্য যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
বলাই বাহুল্য, পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ও বিশ্বের অন্যত্র, এই যে নগদ হস্তান্তরের উদ্যোগগুলিকে ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম (UBI)’এর পাইলট প্রকল্প হিসেবে গণ্য করা হয়, সেগুলো আসলে ভবিষ্যতের 'Universal High Income' (UHI) বা সর্বজনীন উচ্চ আয়ের প্রাথমিক ভ্রূণ বা ল্যাবরেটরি টেস্ট। আগেই বলেছি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়করণ যখন উৎপাদন ব্যবস্থাকে মানুষের শ্রম ব্যতিরেকেই 'অতি-উৎপাদনশীল' করে তুলবে, রাষ্ট্রের উদ্বৃত্তের পরিমাণ হবে কল্পনাতীত। তাই বলাই যায়, আজকের এই কল্যাণমুখি নগদ হস্তান্তরের প্রকল্পগুলো কোনও সাময়িক দয়া বা খয়রাতি নয়, বরং মজুরি-দাসত্ব থেকে মুক্তিস্বরূপ 'সর্বজনীন উচ্চ আয়ের' যুগে পদার্পণ করার প্রথম সোপান।
প্রশ্ন হল, এই অকল্পনীয় প্রযুক্তিগত তথা অর্থনৈতিক পরিবর্তনের অভিঘাতে কেকের ভাগ নিয়ে ধর্ম-বর্ণ-জাতি ভিত্তিক বিদ্বেষমূলক রাজনীতির ঘৃণ্য দাঙ্গা-হাঙ্গামা নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তবতাকে স্বীকার করে নিয়ে তৎপ্রসূত রাজনৈতিক অর্থনীতির পরিসরে আমজনতাকে স্বস্তির আয় জোগানো— কোনটা পথ? প্রথম পথটি ফ্যাসিস্ট ও মতান্ধদের, যারা চায় ভিন্ন গোষ্ঠীর নির্মূলিকরণ, দ্বিতীয় পথটি গণতান্ত্রিক সমাজবাদের যারা সকল বৈচিত্র্যকে ধারণ করে এক উদার সমাজবাদী অর্থনীতি নির্মাণে ব্রতী।
যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জারিত অফুরন্ত উদ্বৃত্তের ওপর ভিত্তি করে সমাজ মানুষের মানসম্পন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাত্রার সর্বাত্মক ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে পারবে, মানুষ তখন কেবল জীবিকা নির্বাহের তাগিদে বা ক্ষুধার জ্বালায় বাধ্যত কোনও অসহায় যন্ত্রের মতো কাজ করবে না। কাজ হবে ব্যক্তির সম্পূর্ণ নিজ ইচ্ছাধীন, সৃজনশীল ও আত্মবিকাশের মাধ্যম। মানুষের তখন আর জীবনধারণের দুশ্চিন্তায় বিনিদ্র রজনী যাপনের কোনও কারণ থাকবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রাজনৈতিক অর্থনীতি এই ধারণাকে পূর্ণাঙ্গ রূপে বাস্তবায়িত করতে পারে।
সহজবোধ্য বিশ্লেষণ ভালো লেখা।
ReplyDeleteলেখাটি তো মন্দ নয়, কিন্তু প্রশ্ন হলো—বিড়ালের গলায় ঘণ্টাটা বাঁধবে কে? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবশ্যম্ভাবী প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে অস্বীকার না করে, বরং তাকে সাদরে গ্রহণ করে তার কাছ থেকে ফায়দা তোলার চেষ্টায় আমরা অনেকেই লিপ্ত। কিন্তু এই পরিস্থিতির শেষ কোথায় বা কতক্ষণই বা আমরা এর লাগাম ধরে রাখতে পারব, তা আমাদের কারো জানা নেই। পুরোটাই বড় অনিশ্চিত।
ReplyDelete