ইরান আজ উত্তাল কেন?
সোমা চ্যাটার্জি
এক সময়ের বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য। আয়তনেও মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এ হেন রূপকথার দেশ পারস্য-- বর্তমান ইরান-- আজ গণকবরে পরিণত হয়েছে মাত্র এক মাসের মধ্যেই।
জীবনযাত্রার ব্যয় ও অসহনীয় মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভে কার্যত থমকে গেছে ইরানের জনজীবন; স্কুল-কলেজ তালাবন্ধ, বন্ধ ব্যবসা বাণিজ্যও। গত চার দশকে যা কোনওদিন হয়নি, ক্ষমতার মসনদকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এই প্রথম ইরানের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজার হাজার মানুষ। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, ইরানের মুদ্রা রিয়ালের পতন এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির (যা প্রায় ৬০ শতাংশে পৌঁছেছে) ফলে ব্যাপক বিক্ষোভের কারণে ডিসেম্বরের শেষে ইরানে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। তারপর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে দেশটির ৩১টি প্রদেশের প্রায় সবগুলো শহর-গ্রামে বিক্ষোভের তীব্রতা বাড়তে বাড়তে সরকার বিরোধী সহিংস আন্দোলনে পরিণতি পায়। বিক্ষুব্ধ মানুষ তেহরানের কিছু সরকারি ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন (যদিও সরকারি মতে সেটি ৫ হাজারের কাছাকাছি)।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এখন সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে ইরানের শাসকগোষ্ঠী। এই সংকট মোকাবিলায় তারা দেশ জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা অভিযান চালাচ্ছে এবং ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগের কোনও সংকটেই তাদেরকে এমনটা করতে দেখা যায়নি। পরিস্থিতি যত এগোচ্ছে, নিহত ও গ্রেফতারের সংখ্যা ততই বাড়ছে। এর আগে ২০২২ ও ২০২৩ সালে ‘জিন জিয়ান আজাদি' বা নারী স্বাধীনতার দাবিতে (বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে ইরানীয় প্রতিবাদ) এভাবেই আন্দোলন শুরু হলেও পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ বা নৃশংস ছিল না। ২০২২ সালে 'মাহসা আমিনির' মৃত্যুর সময় ছয় মাসের বেশি সময় ধরে আন্দোলন চলে ইরানে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে তখন প্রায় ৫০০ মানুষ নিহত হয়েছিল এবং ২০ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু এবার আন্দোলন শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে সেই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ছাড়িয়ে গেছে। একই সঙ্গে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। ১৯৭৯ সালে আয়াতুল্লা শাসন শুরু হবার পর থেকে এরকম গণবিদ্রোহ আগে কখনও দেখা যায়নি যেখানে ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী, মধ্যবিত্ত সবাই মিলে একজোটে লড়াই করছে। যে বিপ্লবের সুচনা হয়েছিল 'Death to High Price' শ্লোগান দিয়ে, তা আজ রূপান্তরিত হয়েছে 'Death to Khamenei' শ্লোগানে।
ইরানের বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়। গত এক দশকে ইরানের মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণ কমে যাওয়া, তেল রফতানি হ্রাস এবং সরকারি হিসেবেই ৪০ শতাংশের বেশি মুদ্রাস্ফীতি. (বেসরকারি মতে এটি ৬০-৭০ শতাংশ) প্রভৃতির ফলে অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। এর কারণ, ইরানের আন্তর্জাতিক যুদ্ধনীতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ। ইসলামিক শাসন শুরু হবার পর থেকেই ইরান একের পর এক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। প্রথম ৮ বছর ধরে চলে ইরান-ইরাক যুদ্ধ, তারপর গাজা নিয়ে ইজরায়েলের সঙ্গে প্রক্সি যুদ্ধ, এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী যেমন হিজবুল্লা, হামাস'দের সমর্থন, এর সঙ্গে আছে পশ্চিমা দেশগুলির নিষেধাজ্ঞা। তেল থাকলেও বিক্রি করার উপায় নেই, অস্ত্র প্রযুক্তি আমদানি করা গেলেও রফতানির রাস্তা নেই, ফলে ডলার দেশে ঢুকছে না, ফরেন রিজার্ভ ফুরিয়ে গেছে, সরকারি ভর্তুকি কমানো হয়েছে-- এই সবের মাশুল গুনেছে সাধারণ মানুষ তাদের ট্যাক্সের টাকায়। ইরানের ব্যবসায়ী সমাজ যাদের 'বাজারিস' বলা হয়, তারা এই বিদ্রোহে নেতৃত্ব দিচ্ছে। যারা একসময় ইসলামিক শাসনের জন্ম দিয়েছিল, রেজা শাহ পাহালভি'কে ক্ষমতাচ্যুতও করেছিল, তারাও এই বিক্ষোভে সামিল। কারণ, সরকার বাজারে জিনিসের দাম বেঁধে দেওয়ায় তারাও রিয়ালের পতনের ফলে চূড়ান্ত ভুক্তভোগী, ডলারের দাম তাদের চোকাতে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ রিয়াল খরচ করে। এছাড়াও ইরানের সমাজে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অভাব, কঠোর সামাজিক বিধিনিষেধ (নাবালকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ক্ষেত্রে ইরান আজও বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে), বিদ্যুৎ সংকট, জলের অভাব সব কিছুর বিরুদ্ধেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ইন্ধন জুগিয়েছে এই গণবিপ্লবে। আগেকার বিক্ষোভগুলোর পর সরকার কিছু সামাজিক ছাড় বা ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিলেও এবার সেই আর্থিক ক্ষমতাও সরকারের নেই।
ইরানের এবারের সংকট শুধু দেশের ভেতরের বিক্ষোভেই সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাইরের চাপও। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি অভিযোগ করেছেন, এই বিক্ষোভের পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হাত রয়েছে, যা সম্পূর্ণ উড়িয়েও দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, মাত্র সাত মাস আগে ২০২৫'এর জুন মাসে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিনের যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের Midnight Hammer Operation'এ ইরানের মাটির নিচের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি ধংস করে দেয়। কারণ, ওই মুহূর্তে আমেরিকা ছাড়া অন্য কোনও দেশে এই প্রযুক্তি থাকুক তারা সেটা চায়নি। ওই সংঘাতের সময়েই ইজরায়েলের মিসাইল কিলিং'এ ইরানের বাখতারান মিসাইল বেসে প্রায় ২০০টি মিসাইল লঞ্চার ধংস হয়, যাতে ইরানের সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তা সহ কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানীও নিহত হন। পাশাপাশি, ইজরায়েল ইরানের দক্ষিণে ১৪টি প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল উত্তোলন কেন্দ্রও সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়, যেখানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ মিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাস উত্তোলন করা হত। যেহেতু ইরানের বিদেশি মুদ্রার পুরোটাই আসে তেল ও গ্যাস থেকে এবং পশ্চিমি নিষেধাজ্ঞার জন্য ইরানকে কালোবাজারে অনেক কমে ওই তেল বা গ্যাস বিক্রি করতে হয়, এই বিপর্যয় ইরানের শাসনব্যবস্থাকে স্পষ্টভাবেই দুর্বল করে দেয়। ফলে, সরকার সাধারণের জন্য ভর্তুকি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। ইরানের মতো দেশে যেখানে আর কোনও শিল্প কারখানা নেই, সেখানে ওষুধও আমদানি করতে হয় এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি দেখা দেয়। গত বছর যেখানে ১ ডলারের মূল্য ছিল ৭ লাখ রিয়াল, এ বছর তা বেড়ে হয়েছে ১৪ লাখ রিয়াল, অর্থাৎ দ্বিগুণ। এই সব কারণেই ইরানের ব্যবসায়িক গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এবং এটিই ইরানের শাসকদের কাছে শঙ্কার কারণ, যেহেতু ইসলামিক বিপ্লবের সময় এই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর হাত ধরেই আয়াতুল্লারা ক্ষমতায় এসেছিল এবং এই তীব্র সংকটে তাদের সমর্থন না থাকলে ইরানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। সম্ভবত সেই কারণেই খামেইনি সরকার স্টারলিঙ্ক'এর স্যাটেলাইট বন্ধ করে দিয়ে দেশে মিলিটারি শাসন চালু করেছে এবং ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে, যদিও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন যে পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্ত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, খোলা জায়গায় অস্থায়ী মর্গ, যেখানে কালো ব্যাগে মোড়া অসংখ্য মরদেহ সারিবদ্ধভাবে রাখা। রাস্তায় আজ শুধু স্লোগান নয়, সংঘর্ষও বাড়ছে, প্রতিবাদকারীদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এই অস্থিরতার মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ইজরায়েল বার্তা দিচ্ছে, এই লড়াই সরকারের বিরুদ্ধে (খামেইনি), জনগণের বিরুদ্ধে নয়। আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের শাসন পরিবর্তনের পক্ষে বলে আসছে। তারাও এই পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করার বার্তা দিচ্ছে খামেইনিকে, বলছে সমঝোতা করে নিতে। ইসলামিক শাসনের সময় ক্ষমতাচ্যুত শাসকের ছেলে যুবরাজ রেজা শাহ পাহলভিও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেছেন, 'অতীতে আমেরিকা ইরানের সাথে যে শত্রুতার পরিচয় দিয়েছে (১৯৫৩ সালে মোসাদ্দেকের নির্বাচিত সরকারের বিরোধিতা, ১৯৮৮ সালে ইরানের যাত্রীবাহী বিমান নামিয়ে নারী-শিশুদের হত্যা এবং ৮ বছরের যুদ্ধে সাদ্দামকে সর্বাত্মক সমর্থন দেওয়া), তারপর ইরানিদের জন্য তাদের দুঃখপ্রকাশ অর্থহীন।' তিনি বলেন, 'ইরানিরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করবে, কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপের সুযোগ দেওয়া হবে না।' নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী নারগেস মোহাম্মদি, যিনি এখনও ইরানে কারাবন্দি এবং বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা জাফর পানাহি সহ অনেকেই মনে করেন, পরিবর্তন হতে হবে শান্তিপূর্ণ এবং দেশের ভেতর থেকেই। বাইরের চাপ বা হস্তক্ষেপ ইরানের শাসনব্যবস্থাকে ভাঙার বদলে উল্টোভাবে শাসকগোষ্ঠীর শীর্ষ ব্যক্তিদের আরও একজোট করে দিতে পারে এবং যেভাবে আগের সমস্ত আন্দোলন খামেইনি সরকার প্রতিহত করেছে, এবারও তাই হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেইনিকে তেহরানের একটি বিশেষ ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রশাসন এখন আগের চেয়েও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ট্রাম্প পরিষ্কার জানিয়েছেন, ইরানকে তার পারমাণবিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে হবে। খামেইনির পক্ষে এই শর্তগুলো মেনে নেওয়া বেশ কঠিন, কারণ, পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনই ইরানের ‘প্রতিরক্ষা বলয়’ হিসেবে পরিচিত। তবে লেবাননের হিজবুল্লাহর দুর্বল হওয়া, সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতন এবং প্রথমবারের মতো ইজরায়েলের সরাসরি হামলার শিকার হওয়ায় ইরান তার পুরনো নীতি পুনর্মূল্যায়নে বাধ্য হতে পারে।
ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ বলেছে, ইরানের পাল্টা হামলারও প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সেনারা। মধ্যপ্রাচ্যে এবারই সবচেয়ে বড় সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র জড়ো করছে যুক্তরাষ্ট্র, যার মধ্যে রয়েছে রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এবং ক্রুজার। এর সঙ্গে আছে ফাইটার স্কোয়াড্রোনস এবং বাড়তি মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এদিকে এই ধরনের চাপের মাঝেও ইরানের শাসকগোষ্ঠী যে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছে, তার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনও পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবর্তন যে আসছে, তার আভাস মিলছে ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার কাঠামোতেও। বিশ্লেষক আলিরেজা আজিজির মতে, ইরান ইতিমধ্যে একটি ধর্মীয় নেতৃত্ব থেকে সামরিক নেতৃত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যেখানে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
খামেইনি পরবর্তী সময়ে ইরানে কি সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো আমূল কোনও রূপান্তর হবে নাকি রাজপথে জনবিস্ফোরণের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থার পতন ঘটবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে বিশ্ব রাজনীতি ও দেশের অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপট বলছে, ইরানে বড় ধরনের পরিবর্তন এখন কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা।






